আলটিমেটাম দিয়ে সড়ক থেকে সরে গেলেন রাজধানীতে আন্দোলন করা ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা। সড়ক ছাড়ার সময় তারা ঘোষণা দিয়েছেন— আগামী ৩০ জানুয়ারির মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে লিথিয়াম ব্যাটারিচালিত রিকশা বিক্রির বন্ধের নির্দেশ না দিলে ১ ফেব্রুয়ারি দুই সিটি করপোরেশন ভবন ঘেরাও করা হবে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ারের সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। তাদের অবরোধের কারণে কুড়িল থেকে রামপুরা সড়কে যানচলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ আছে। ফলে সকাল থেকেই মানুষজনকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকদের অবরোধের কারণে যমুনা ফিউচার পার্কের থেকে মেরুল বাড্ডা পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে আছে অসংখ্য যানবাহন। যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ে হেঁটে যাচ্ছেন গন্তব্যে। যাত্রীদের হেঁটে চলার লম্বা লাইন দুই পাশের সড়কে। নারী, শিশু ও বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সব শ্রেণির মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে।
সোমবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা একটি মিছিল নিয়ে উত্তর বাড্ডা থেকে রামপুরা গিয়ে তাদের কর্মসূচি শেষ করেন। এ সময় তারা এই ঘোষণা দেন।সড়ক ছাড়ার আগে আন্দোলনকারীরা বলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা দুই সিটি করপোরেশনকে সময় বেঁধে দিয়েছি। এ সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি মানা না হলে ১ ফেব্রুয়ারি দুই সিটি করপোরেশন ভবন ঘেরাও করব। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।
এদিকে রিকশাচালকরা সড়ক ছেড়ে দিলে কুড়িল-রামপুর সড়কে প্রায় ৪ ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।এ বিষয়ে বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিরুল আমিন বলেন, আন্দোলনকারীরা রাস্তা ছেড়ে চলে গেছে, যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। তারা উত্তর বাড্ডা থেকে একটি মিছিল নিয়ে রামপুরা ব্রিজে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করে।
ঢাকা,সোমবার ১৯ জানুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















