বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.আমিনুল ইসলামকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা। বুধবার বেলা
১২ টায় বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা। এতে কর্মরত জাতীয় এবং আঞ্চলিক পত্রিকার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পূর্ব নির্ধারিত এ কর্মসূচির সভাপতিত্ব করেন কলাপাড়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক মো.হুমায়ুন কবির। প্রায় ঘন্টাব্যাপী কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব এস এম মোশারফ হোসেন মিন্টু, সাংবাদিক মেজবাহ উদ্দিন মাননু, মোহসিন পারভেজ, বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, নেছারউদ্দিন আহমেদ টিপু, অমল মুখার্জী, কলাপাড়া রিপোটার্স ক্লাবের
আহবায়ক এস কে রঞ্জন, মো.ফরিদ উদ্দিন বিপু, কালের কন্ঠের প্রতিনিধি জসীম পারভেজ প্রমুখ।
বক্তারা বাউফল কালের কন্ঠের প্রতিনিধি সোহেলের সঙ্গে ঔদ্বত্যপূর্ণ আচরণের প্রতিবাদ জানান। একই সাথে বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.আমিনুল ইসলামকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য গত ১৯ মে অবহিত না কর্#ে৩৯; অনুষ্ঠান আয়োজন করা নিয়ে তর্কের জেরে
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক কালের কন্ঠের প্রতিনিধি এমরান হাসান সোহেল সঙ্গে বাউফলের ইউএনও মো.আমিনুল ইসলামের অসৌজন্যমূলক আচরণ ও শাস্তির হুমকি দেয়ার অভিযোগ ওঠে। ওই দিন বাউফল আদর্শ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুদকের পটুয়াখালী জেলা কার্যালয় ও বাউফল দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ধারিত ছিল। অনুষ্ঠানের শেষ
পর্বে বিদ্যালয়ে এসেই ক্ষুব্দ হন ইউএনও আমিনুল ইসলাম। এ নিয়ে সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেলের সঙ্গে ইউএনওর কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ইউএনওকে বলতে শোনা যায়, প্রজাতন্ত্রের আমি এমন কর্মচারি মালিককে শাস্তিও দিতে পারি। এ সংক্রান্ত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,বুধবার ২৮ মে এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















