কোরবানির ঈদের আগেই নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে গরুর লাম্পি স্কীন ভাইরাস। এতে বিপাকে পড়েছে কৃষক ও খামারীরা। চিকিৎসা করেও কাঙ্খিত ফল না পাওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন তারা।
জানা গেছে ভাইরাস আক্রান্ত হলে গরুর গায়ে শুরুতে জ¦র, ব্যথা ও গলা ফুলে যায়। পরে গোটা গায়ে গোলাকার গুটি ও ফোস্কা উঠে। এক পর্যায় এসে গুটি গুলো ফেটে গিয়ে ক্ষত তৈরি হয়। এই রোগ এক গরু থেকে অন্য গরুর মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে দিনকেদিন আক্রান্ত গরুর সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অনেক গরু মারাও যাচ্ছে। কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কামার পাড়া গ্রামের সঞ্চয় কুমার বলেন, আমার গরুর হঠাৎ জ¦র আসে। তারপর গলায় ফোস্কা উঠে। এক পর্যায়ে ফোস্কাগুলো ফেটে গিয়ে ক্ষত তৈরি হয়। ওষুধ খাইয়ে কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না। পুটিমারী গ্রামের জ্যোতি কৃষ্ণ রায় বলেন, ওষুধ খাইয়েও একটি গরু থেকে আরেকটিতে রোগটি ছড়িয়ে পড়ছে দ্রুত। চাঁদখানা ইউনিয়নের নগরবন গ্রামের বাচ্চু মিয়া বলেন, আমার দুটি বাচুর গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
চিকিৎসা করে কোন ফল পাচ্ছি না। চিকিৎসা করতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এখন টোটকা চিকিৎসা করছি।
উপজেলা প্রানীসম্পদ দপ্তরের তথ্যানুযায়ী এ উপজেলায় প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার গরু রয়েছে। প্রান্তিক খামারির মোটাতাজাকরন গরু রয়েছে সাড়ে ৪৬ হাজার। দুগ্ধজাত গরু রয়েছে প্রায় ৮৫ হাজার। ঈদে কোরবানির গরুর চাহিদা রয়েছে ৩৩ হাজার। ১৩ হাজার গরু উদ্ধবৃত্ত থাকবে।
উপজেলা প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ নাহিদ সুলতান বলেন, যে সকল কৃষক বা খামারির গরু মারা যাচ্ছে এর মধ্যে ওষুধ খাওয়ানোর নিয়ম ও পদ্ধতিগত ভুলও রয়েছে।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী সংবাদদাতা
কিশোরগঞ্জ,বৃহস্পতিবার ২২ মে এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















