পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শীতের তীব্রতা কিছুটা কমলেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ধরছে কুয়াশা। খুব ভোর থেকে বেলা বাড়া অবধি ঢাকা থাকছে গ্রামীন জনপদ। ঘন কুয়াশার ঘনত্বে বেলা বাড়লেও দেখা মেলেছে না সূর্যের।আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ছয়টায় জেলার কলাপাড়ায় ঘন কুয়াশার দৃষ্টিসীমা ছিলো ২০০মিটারের কম। গত তিনদিন ধরে এই অবস্থা বিরাজ করছে উপকূলীয় এলাকায়। এর প্রভাব পড়েছে সড়ক মহাসড়কগুলোতে। তাই দিনের বেলায়ও হেড লাইট জালিয়ে চলছে গাড়ি। ব্যাহত হচ্ছে লঞ্চ সহ সকল ধরনের নৌ-যান চলাচল। এদিকে অতি মাত্রার ঘন কুয়াশায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তরমুজ সহ শীতকালীন সবজি চাষিরা। এমন অবস্থা চলতে থাকলে বড় ক্ষতি মুখে পরবেন তারা। তবে সপ্তাহ জুড়ে ঘন কুয়াশার এ অবস্থা বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে জেলা আবহাওয়া অফিস।
শ্রমিক সোবাহান মিয়া বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মালবাহী জাহাজটি সকাল ছয়টায় আমাদের এখানে আসার কথা ছিলো। কিন্তু সকাল দশটায়ও কুয়াশার কারনে জাহাজটি এসে পৌঁছাতে পারেনি। তাই আমরা শ্রমিকরা ঘাটে অপেক্ষা করছি। বাস চালক মালেক হোসেন বলেন, সকালে কুয়াকাটা থেকে পটুয়াখালী এসেছি। যতক্ষণ গাড়ি চলছে ততক্ষণ হেডলাইট জালানো ছিল। এতো পরিমানে কুয়াশা পড়েছে যে খুবই ধীর গিতেত গাড়ী টানতে হয়েছে। সচরাচর কুয়াকাটা থেকে পটুয়াখালী পৌছাতে দেড় ঘন্টা সময় লাগলেও আজ সোয়া দুই ঘন্টা সময় লেগেছে। তরমুজ চাষী খোকন শিকদার বলেন, এবছর তরমুজের বেশ ভালই ফলন হয়েছে। কিন্তু কয়েকদিন ধরে ব্যাপক কুয়াশা পড়ছে। এভাবে কুয়াশা ঝড়তে থাকলে গাছ পচে যেতে পারে।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার জাহান বলেন, আগামী এক সপ্তাহ জুড়ে কুয়াশার এই অবস্থা বিরাজ করতে পারে। তবে কুয়াশা কমলেও শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে।
উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,রোববার ০২ ফেব্রুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















