গ্রামীন অর্থনীতি ও গ্রামীন মহিলারা স্বাবলম্বি হওয়ায় কোয়েল পাখির খামারে ঝুঁকে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মহিলারা গড়ে তুলেছে কোয়েল পাখির খামার। কোয়েল পাখির খামার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে গ্রামীন মহিলারা স্বাবলম্বিতার পাশাপাশি গ্রামীন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে ফেলেছে।
জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি সর্মৃদ্ধ এলাকা হলেও প্রানি সম্পদের দিক দিয়ে বেশ এগিয়ে। এ উপজেলাধীন বিভিন্ন এলাকার গ্রামীন নারীরা স্বাবলম্বি হওয়ার জন্য কোয়েল পাখির খামার করছে। ইতোমধ্যে অনেকই কোয়েল পাখির খামার করে সফলতার মুখ দেখেছে। সরেজমিনে শ্রীপুর, বাঁশচড়া, সাহাবাজপুর, রশিদপুর, তিতপল্লা, রানাগাছা, ইটাইল সহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে বেশ কয়েকজন খামারীর সাথে কথা হয় এর মধ্যে শ্রীপুর গ্রামের ফাতেমা(৩৫) বাঁশচড়া গ্রামের রহিমা(৩০) জানান, এ সব এলাকায় দেড় থেকে দুশ কোয়েল পাখির খামার রয়েছে। প্রতিটি খামারে ৫শতাধিক কোয়েল পাখি রয়েছে। তারা আরো বলেন, কোয়েল, পাখির ডিমের ব্যপক চাহিদা। প্রতি মাসে ডিম বিক্রি করে আয় হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫হাজার টাকা।
কোয়েল পাখির খামার মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ,ইসলামপুর,দেওয়ানগঞ্জ,বকশীগঞ্জ ও সরিষাবাড়ী উপজেলায় ব্যপক ভাবে বিস্তার লাভ করেছে। অনেকেই কোয়েল পাখির খামারে ঝুঁকে পড়েছে। সরেজমিনে, মহাদান, ভাটারা, কামরাবাদ, মেষ্টা,বালিজুড়ি, পাথরশী, নাংলা, আদ্রা, ডাংধরা, পাররামপুর সহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে জানা গেছে, এ সব এলাকায় ৫শতাধিক কোয়েল পাখির খামার রয়েছে। কথা হয় বেশ কয়েকজন খামারির সাথে এর মধ্যে আদ্রা গ্রামের বানেছা(৩৫) ভাটারা গ্রামের নাজমা(৩০) এ প্রতিবেদক কে বলেন, কোয়েল পাখির খামার বৃদ্ধির পেছনে যুব উন্নয়ন ও বিভিন্ন এনজিও আর্থিক সুবিধা দিয়েছে। স্বল্প সুদে ঋন সুবিধা দেওয়ায় অনেকেই কোয়েল পাখি পালন ও ডিম বিক্রি করে সফলতার মুখ দেখেছে। এ ব্যপারে এলাকার সুশীল সমাজের সাথে কথা বললে তারা জানান, যুব উন্নয়ন ও বিভিন্ন এনজিও কোয়েল পাখি পালনে উদ্বুদ্ধকরন ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেছে। যারজন্যে কোয়েল পালনে অনেকেই স্বাবলম্বি হয়েছে।
কাজী রফিকুল হাসান, মালগুদাম রোড, মুকন্দবাড়ী, জামালপুর প্রতিনিধি।
জামালপুর,শনিবার ৩১ আগষ্ট এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















