পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করতে জেলাপ্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। ভূমির ব্যবহার, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, সম্পদ আহরণ সকল ক্ষেত্রেই সম্পদের ভারসাম্য সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
আজ ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলাপ্রশাসক সম্মেলন-২০২৬’-এর দ্বিতীয় অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ইস্যুতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জেলাপ্রশাসকদের প্রতি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
মন্ত্রী পার্বত্য অঞ্চলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জেলাপ্রশাসকদের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন, চাষযোগ্য ভূমি কম হওয়ায় দুর্গম এলাকার মানুষ এখনো জুম চাষের ওপর নির্ভরশীল। তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে সরকার। তিনি খাগড়াছড়িতে ‘হেডম্যান অফিস’ নির্মাণ, বান্দরবানে সুপেয় পানির প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রতিটি উপজেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক হোস্টেল নির্মাণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে দেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রদত্ত ‘রংধনু জাতি’ বা ÔRainbow NationÕ -এর ধারণার সফল প্রতিফলন হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানকার বৈচিত্র্যময় জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রীতিই আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি।
সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এছাড়া সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু সচিব মোঃ রায়হান কাওছার; পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা,বুধবার ৬ মে এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম




















