কিশোরগঞ্জে অজোপাড়া গাঁয়ের মসজিদের দান বাক্সে পাওয়া গেল ৯ লক্ষ টাকা। মসজিদটি মোঘল আমলের তৈরী “চাদ খোসাল” নামে পরিচিত। এ সমজিদটি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের উত্তর ভেড়ভেড়ী গ্রামে অবস্থিত।
জানা যায়, জনশ্রুতি রয়েছে মোঘল আমলে মসজিদটি রাতারাতি নির্মাণ হওয়ায় দূর দুরান্ত থেকে লোকজন মনোবাসনা পূরণে মানত করতে এ মসজিদে আসেন। মোঘল আমলের শৈল্পিক কারুকার্য্য দেখে মুগ্ধ হন দর্শনার্থীরা। মসজিদটি দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট, প্রস্ত ১২ ফুট এবং উচ্চতা ৫০ ফুট বিশিষ্ট ১৩ শতাংশ জমির উপর অবস্থিত। রয়েছে তিনটি বড় গম্বুজ। ঐতিহাসিক এ মসজিদটির মেহরাবের দুই পাশে রয়েছে দু’টি ছিদ্র। কথিত আছে, একসময় ভূমিকম্পের পরে সংস্কার কাজে মিস্ত্রিরা গর্ত দুটি বন্ধ করে দেয়ায় দুইজন শ্রমিক মারা যান। পরে গর্ত দুটি খুলে দেয়া হয়।
মসজিদের কোষাধ্যক্ষ মজনুর রহমান জানান, ঐতিহাসিক মোঘল আমলের মসজিদটিতে মানত করলে আশা পূরণ হয় এ বিশ^াসে ধর্মপ্রাণ মুসলমান, এমন কি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনও নগদ অর্থসহ গরু,ছাগল, কবুতর, মুরগী ও আবাদি শস্য দান ও মানত করে। ঈমাম,মুয়াজ্জিন ও খাদেমের প্রতি মাসের বেতন এবং মসজিদের সংস্কার খরচ বাদ দিয়ে বর্তমানে তহবিলে প্রায় কোটি টাকা রয়েছে। গত মঙ্গলবার মসজিদের বাক্স খুলে ৮ লক্ষ ৯৪ হাজার ৭৬০ টাকা পাওয়া যায়। এ মসজিদের দান বাক্সটি ৬ মাস পর পর সকলের উপস্থিতিতে খোলা হয়।
দান বাক্সটি খোলার সময় উপস্থিত ছিলেন মসজিদের সভাপতি ইউএনও তানজিম আঞ্জুম সোহানিয়া, অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান, ক্যাশিয়ার মজনুর রহমান, সদস্য রুহুল আমিন প্রমুখ।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি,
নীলফামারী,বুধবার ১৪ জানুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















