কিশোরগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গড়িমশিতে সেচ সুবিধা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ৫০ হাজার কৃষক

১৫ হাজার হেক্টর জমির বিপরীদে ৫০ হাজার কৃষকের সেচ সুবিধা পাওয়া প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গত ১ লা জানুয়ারী ক্যানেলে পানি ছাড়ার কথা থাকলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তপক্ষের গড়িমশি ও ঠিকাদারদের তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাইক মেরামত ও শক্তিশালী করন কাজে নানা অনিয়মের জন্য যথাসময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় কৃষকদের পানি দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি দ্রুত প্রধান সেচ ক্যানেল শক্তিশালী করণ ও সম্প্রসারণ কাজ এবং সিল ট্রাফ(পলি অপসারন) কাজ শেষ করে আগামী ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে কৃষকদের সেচ সুবিধা দেয়া হবে। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার রাজীব থেকে জলঢাকা উপজেলার দুন্দিবাড়ি পর্যন্ত এ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সৈয়দপুর ও নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, নিরবিচ্ছিন্ন সেচ প্রদানের উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাউক পুর্নবাসন ও শক্তিশালীকরনের জন্য ১৭ দশমিক ৯১ কিলোমিটার থেকে ৩৩ দশমিক ৬৭ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬ কিলোমিটার অংশ মেরামতে মাটির কাজের জন্য ৭ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা এবং একই অংশে রেগুলেটর এলাকায় ৩ দশমিক ১৮০ মিটার অংশে ঢাল প্রতিরক্ষা কাজের জন্য ১০ কোটি ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়। টেন্ডারের মাধ্যমে তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাইকের মাটির কাজ করেছে পটুয়াখালী জেলার মোঃ মিজানুর রহমান জেভি এন্টার প্রাইজ। এসময় ঠিকাদারকে সময় বেঁধে দেয়া হয় ১৬/২/২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সরেজমিনে গিয়ে প্রকল্প এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিস্তা সেচ ক্যানেল শক্তিশালী ও সম্প্রসারন করার জন্য ক্যানেলের ৩শ মিটার থেকে এক কিলোমিটার দুরত্ব বজায় রেখে মাটি পরিবহন করে ক্যানেলে দেয়ার নিয়ম থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ক্যানেলের কাছাকাছি কৃষকের জমি চুক্তি নিয়ে ক্যানেলে মাটি পরিবহন করে।

এছাড়াও ক্যানেলে মাটি দেয়ার পর রোলার করে লেভেলিং ও ড্রেসিং করে শক্তিশালী করার কথা কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্টান তা না করে যেনতেনভাবে মাটি ফেলে কাজ শেষ করে বিল উত্তোলন করে নেয়। জলঢাকা উপজেলার বিন্নাকুড়ি বাজার থেকে রাজীব অংশের দুই ডাইকে এখোনো ছোট
বড় শতাধিক ভাংগন রয়েছে। কৃষকরা আশংখা করছে এ অবস্থায় পানি ছাড়লে যে কোন মুহুত্বে পানির চাপে ক্যানেল ভেংগে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে ক্যানেলের রেগুলেটর এলাকায় ঢাল প্রতিরক্ষা কাজে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার ৩ দশমিক ১৮০
মিটার কাজে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ব্লক স্থাপন করার কারনে কাজ শেষ হতে না হতেই ব্লক ধসে পড়তে শুরু করেছে।
ঢাল প্রতিরক্ষা কাজের তদারকি কর্মকর্তা ও উপ সহকারী প্রোকৌশলী মোঃ একরামুল হক জানান, ঢাল প্রতিরক্ষা কাজে ব্লক বসানোর আগে উভয় ডাইকে মাটি শক্তিশালীকরন করার পর স্লপে ৪ ইঞ্চি খোয়া দিকে কমপ্যাক্ট করে ব্লক স্থাপন করতে হবে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্টান উভয় ডাইকের মাটি শক্তিশালিকরন না করে ও ৪ ইঞ্জি খোয়ার জায়গায় স্লপে নামমাত্র খোয়া দিয়ে কমপ্যাক্ট ছাড়াই ব্লক বসানোর কারনে সেগুলো ধসে পড়ছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আপনি হোয়াটসএ্যাপে নক করেন
আমি ঠিকাদারের নাম্বার দিচ্ছি আপনি কথা বলে নেন।
জলঢাকা উপজেলার বিন্নাকুড়ি এলাকার কৃষক আব্দুল জলিল, সাইদুল ইসলাম, সপিয়ার রহমানসহ অনেক কৃষক বলেন, তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাইকে নিয়মানুযায়ী মাটি ভরাট করা হয়নি। এছাড়াও বর্তমানে ক্যানেলটির অনেক জায়গায় বড় বড় গর্ত রয়েছে এগুলো মেরামত না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।
রাজীব সেচখালের বাসিন্দা আবদুল্লা, আয়নাল , মতিয়ার ও বিষাদু মিয়া বলেন, রাজীব রেগুলেটরের ঢাল প্রতিরক্ষা কাজে ব্লক বসানোর সময় কোন নীতিমালা অনুসরন করা হয়নি। ঠিকাদার তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করায় ব্লকগুলো এখনোই ধসে পড়তে শুরু করেছে।

তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাইক শক্তিশালীকরন ও পুর্নবাসন কাজের ঠিকাদার খাদেমুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের জন্য তাঁর ব্যাবহুত ফোন নম্বরে একাধিক বার ফোন দিলে তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ঢাল প্রতিরক্ষা কাজের ঠিকাদার জামাল হোসেনের সাথে ব্লক স্থাপনে অনিয়মের বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন, আমি ব্যাস্ত আছি আমার ম্যানেজার আপনাকে ফোন দিয়ে কথা বলবে বলে লাইন কেঁটে দেন। সহকারী সম্প্রসারন কর্মকর্তা সৈয়দপুর ও নীলফামারী দায়িত্বরত (সেচ ) গিয়াস আল হাসান বলেন, তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় পলি অপসারন কাজ শেষ না হওয়ার কারেনে ১ জানুয়ারী পানি সরবরাহ সম্ভব হয়নি। এর বেশি আমি জানিনা আপনারা তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী স্যারের সাথে কথা
বলেন।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী সার্কেল -২ ও তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, আমি সকল অনিয়মের বিষয়ে নীলফামারী ও সৈয়দপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীদ্বয়কে অবহিত করছি তারা তাৎক্ষনিক বিষয়গুলো দেখবে।
প্রয়োজনে আমি নিজে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে ব্যাবস্থা গ্রহন করব। তিস্তা সেচ ক্যানেলে পানি সরবরাহের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১ লা জানুয়ারী ক্যানেলে পানি সরবরাহের কথা ছিল কিন্তু কোন কারনে তা হয়নি আগামী ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে পানি সরবরাহ করা হবে।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি,
নীলফামারী,মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ সংবাদ



» গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না-স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে বনানীতে টাস্কফোর্সের অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

» মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

» মাদক ব্যবসায়ী ও সেবকদের সামাজিক ভাবে বয়কটের আহবান জানালেন এমপি আব্দুল মুনতাকিম

» ঢাকার ঐতিহাসিক হোসেনী দালান থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল বের করা হয়েছে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলাকেটে হত্যা

» মাদক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল

» জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে- প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

আজ : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, খ্রিষ্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের গড়িমশিতে সেচ সুবিধা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ৫০ হাজার কৃষক

১৫ হাজার হেক্টর জমির বিপরীদে ৫০ হাজার কৃষকের সেচ সুবিধা পাওয়া প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গত ১ লা জানুয়ারী ক্যানেলে পানি ছাড়ার কথা থাকলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তপক্ষের গড়িমশি ও ঠিকাদারদের তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাইক মেরামত ও শক্তিশালী করন কাজে নানা অনিয়মের জন্য যথাসময়ে কাজ শেষ করতে না পারায় কৃষকদের পানি দেয়া সম্ভব হয়নি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি দ্রুত প্রধান সেচ ক্যানেল শক্তিশালী করণ ও সম্প্রসারণ কাজ এবং সিল ট্রাফ(পলি অপসারন) কাজ শেষ করে আগামী ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে কৃষকদের সেচ সুবিধা দেয়া হবে। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার রাজীব থেকে জলঢাকা উপজেলার দুন্দিবাড়ি পর্যন্ত এ অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সৈয়দপুর ও নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, নিরবিচ্ছিন্ন সেচ প্রদানের উদ্দেশ্যে কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলার তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাউক পুর্নবাসন ও শক্তিশালীকরনের জন্য ১৭ দশমিক ৯১ কিলোমিটার থেকে ৩৩ দশমিক ৬৭ কিলোমিটারের মধ্যে ১৬ কিলোমিটার অংশ মেরামতে মাটির কাজের জন্য ৭ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা এবং একই অংশে রেগুলেটর এলাকায় ৩ দশমিক ১৮০ মিটার অংশে ঢাল প্রতিরক্ষা কাজের জন্য ১০ কোটি ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয় পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়। টেন্ডারের মাধ্যমে তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাইকের মাটির কাজ করেছে পটুয়াখালী জেলার মোঃ মিজানুর রহমান জেভি এন্টার প্রাইজ। এসময় ঠিকাদারকে সময় বেঁধে দেয়া হয় ১৬/২/২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সরেজমিনে গিয়ে প্রকল্প এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিস্তা সেচ ক্যানেল শক্তিশালী ও সম্প্রসারন করার জন্য ক্যানেলের ৩শ মিটার থেকে এক কিলোমিটার দুরত্ব বজায় রেখে মাটি পরিবহন করে ক্যানেলে দেয়ার নিয়ম থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ক্যানেলের কাছাকাছি কৃষকের জমি চুক্তি নিয়ে ক্যানেলে মাটি পরিবহন করে।

এছাড়াও ক্যানেলে মাটি দেয়ার পর রোলার করে লেভেলিং ও ড্রেসিং করে শক্তিশালী করার কথা কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্টান তা না করে যেনতেনভাবে মাটি ফেলে কাজ শেষ করে বিল উত্তোলন করে নেয়। জলঢাকা উপজেলার বিন্নাকুড়ি বাজার থেকে রাজীব অংশের দুই ডাইকে এখোনো ছোট
বড় শতাধিক ভাংগন রয়েছে। কৃষকরা আশংখা করছে এ অবস্থায় পানি ছাড়লে যে কোন মুহুত্বে পানির চাপে ক্যানেল ভেংগে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদিকে ক্যানেলের রেগুলেটর এলাকায় ঢাল প্রতিরক্ষা কাজে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার ৩ দশমিক ১৮০
মিটার কাজে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ব্লক স্থাপন করার কারনে কাজ শেষ হতে না হতেই ব্লক ধসে পড়তে শুরু করেছে।
ঢাল প্রতিরক্ষা কাজের তদারকি কর্মকর্তা ও উপ সহকারী প্রোকৌশলী মোঃ একরামুল হক জানান, ঢাল প্রতিরক্ষা কাজে ব্লক বসানোর আগে উভয় ডাইকে মাটি শক্তিশালীকরন করার পর স্লপে ৪ ইঞ্চি খোয়া দিকে কমপ্যাক্ট করে ব্লক স্থাপন করতে হবে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্টান উভয় ডাইকের মাটি শক্তিশালিকরন না করে ও ৪ ইঞ্জি খোয়ার জায়গায় স্লপে নামমাত্র খোয়া দিয়ে কমপ্যাক্ট ছাড়াই ব্লক বসানোর কারনে সেগুলো ধসে পড়ছে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আপনি হোয়াটসএ্যাপে নক করেন
আমি ঠিকাদারের নাম্বার দিচ্ছি আপনি কথা বলে নেন।
জলঢাকা উপজেলার বিন্নাকুড়ি এলাকার কৃষক আব্দুল জলিল, সাইদুল ইসলাম, সপিয়ার রহমানসহ অনেক কৃষক বলেন, তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাইকে নিয়মানুযায়ী মাটি ভরাট করা হয়নি। এছাড়াও বর্তমানে ক্যানেলটির অনেক জায়গায় বড় বড় গর্ত রয়েছে এগুলো মেরামত না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।
রাজীব সেচখালের বাসিন্দা আবদুল্লা, আয়নাল , মতিয়ার ও বিষাদু মিয়া বলেন, রাজীব রেগুলেটরের ঢাল প্রতিরক্ষা কাজে ব্লক বসানোর সময় কোন নীতিমালা অনুসরন করা হয়নি। ঠিকাদার তড়িঘড়ি করে কাজ শেষ করায় ব্লকগুলো এখনোই ধসে পড়তে শুরু করেছে।

তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেলের উভয় ডাইক শক্তিশালীকরন ও পুর্নবাসন কাজের ঠিকাদার খাদেমুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের জন্য তাঁর ব্যাবহুত ফোন নম্বরে একাধিক বার ফোন দিলে তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ঢাল প্রতিরক্ষা কাজের ঠিকাদার জামাল হোসেনের সাথে ব্লক স্থাপনে অনিয়মের বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন, আমি ব্যাস্ত আছি আমার ম্যানেজার আপনাকে ফোন দিয়ে কথা বলবে বলে লাইন কেঁটে দেন। সহকারী সম্প্রসারন কর্মকর্তা সৈয়দপুর ও নীলফামারী দায়িত্বরত (সেচ ) গিয়াস আল হাসান বলেন, তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় পলি অপসারন কাজ শেষ না হওয়ার কারেনে ১ জানুয়ারী পানি সরবরাহ সম্ভব হয়নি। এর বেশি আমি জানিনা আপনারা তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী স্যারের সাথে কথা
বলেন।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী সার্কেল -২ ও তিস্তা প্রধান সেচ ক্যানেল প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, আমি সকল অনিয়মের বিষয়ে নীলফামারী ও সৈয়দপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীদ্বয়কে অবহিত করছি তারা তাৎক্ষনিক বিষয়গুলো দেখবে।
প্রয়োজনে আমি নিজে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে ব্যাবস্থা গ্রহন করব। তিস্তা সেচ ক্যানেলে পানি সরবরাহের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১ লা জানুয়ারী ক্যানেলে পানি সরবরাহের কথা ছিল কিন্তু কোন কারনে তা হয়নি আগামী ১৫ জানুয়ারীর মধ্যে পানি সরবরাহ করা হবে।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি,
নীলফামারী,মঙ্গলবার ০৬ জানুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ সংবাদ



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা প্রগতি স্বরণী বাড্ডা ঢাকা-১২১২|

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com

Ads Blocker Image Powered by Code Help Pro

Ads Blocker Detected!!!

We have detected that you are using extensions to block ads. Please support us by disabling these ads blocker.

Powered By
100% Free SEO Tools - Tool Kits PRO