নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি পাগলাটারী গ্রামের আশেক আলী ও সুমি বেগম দম্পতির মেয়ে আয়শা সিদ্দিকা(৮)হাইড্রোসেফালাস রোগ নিয়ে দূর্বিসহ জীবন পার করছে। জন্মের পর থেকে অস্বাভাবিক ভাবে বাড়তে থাকে তার মাথা।পরিবারটি দরিদ্রসীমার নিচে বসবাস করায় অর্থের অভাবে বন্ধ রয়েছে তার চিকিৎসা। প্রায় ৪ বছর আগে নয়া দিগন্তে রিপোর্ট প্রকাশের পর দুজন প্রবাসী ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে তাদের সহযোগিতা করে।কিন্তু তার চিকিৎসা খরচ লাগে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।পরিবারটির যেটুকু সম্বল ছিল তা আগেই শেষ হয়ে গেছে। টাকার অভাবে আয়শা সিদ্দিকার এখন একদম চিকিৎসা বন্ধ রয়েছে। ফলে অস্বাভাবিক বড় মাথা ও রোগের যন্ত্রনা নিয়ে দূর্বিসহ জীবন কাটাচ্ছে শিশুটি। শুক্রবার ওই দম্পতির বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় আয়শা বিছানায় শুয়ে কাতরাচ্ছে।শিশুটির মা সুমি বেগম জানায়,তার মাথার ওজনও অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে।প্রসাব পায়খানা করাতে হলে দুইজন তাকে ধরতে হয়। নাকে মাংস বেড়ে যাওয়ায় শ্বাস নিতে পারছে না। কিছুদিন আগে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ঢাকায় নিয়ে গেছিলাম ডাক্তার অপারেশন করতে ৭ লাখ টাকা অন্যান্য খরচ সহ ১০ লাখ টাকা ব্যায় হবে বলে জানিয়েছে। এত টাকা আমাদের সামর্থের মধ্যে না থাকায় তাকে নিয়ে বাড়ি চলে এসেছি। সুমি দম্পতি জানায়, দেশের কোন বিত্তবান কিংবা প্রাবাসী স্বহ্নদয়বান ব্যাক্তি যদি সাহায্যের হাত বাড়ায় তাহলে আমার এই অবুজ শিশুটির চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারতাম।
প্রয়োজনে
শিশুটির মা সুমি বেগম
মোবাইল নং-০১৭৫৫২৫৯২৩৬
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি,
নীলফামারী,শনিবার ২০ ডিসেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















