টাকা ধার করি সাড়ে ৭ হাজার কপির চারা নাগাছু। আশা করছুনু কপি বেচে ধারের টাকা শোধ করিম। কিন্তু ঠিকাদারের ছেন্ডেল পোড়া কালা ধুমা মোক সর্বনাশ করি দিলে। মুই এখন ধারের টাকা কি দিয়া শোধ করিম।
গতকাল সোমবার বিকেলে রাস্তায় বসে এভাবে বিলাপ করছিলেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা কপি চাষী মৃত্যু করিমুদ্দিনের ছেলে আব্দুল কালাম।
তিনি জানান,ফুল কপি চাষাবাদের জন্য ৫৫ শতাংশ জমি ১৮ হাজার টাকা দিয়ে এক বছরের জন্য শোধ চুক্তি নিয়েছেন। ওই জমিতে সাড়ে সাত হাজার ফুলকপির আগাম চারা লাগায়েছি চারা রোপন
সার,কিটনাশক,পরিচর্যাসহ আমার ৮৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতিটা ফুলকপি ৫০০ গ্রাম করে হয়েছে বর্তমান বাজার দর ৫০ টাকা কেজি হিসেবে আমার ক্ষেত থেকে কপি বিক্রি হতো ২ লাখ টাকা। কিন্তু ঠিকাদারের স্যান্ডেল পোড়ানো কালো ধোয়া আমাকে সর্বনাশ করে দিলো। প্রতিটি কপিতে ধোয়ায় ছাই পড়ে সব কালো হয়ে গেছে। কপি গাছগুলো মরে যাচ্ছে। রোববার কপি
বাজার থেকে ফিরত নিয়ে এসেছি। আমি এখন ধারের টাকা কিভাবে পরিশোধ করবো আর পরিবারকেও বা কি খাওয়াবো। এবিষয়ে ঠিকাদারকে জানালে তিনি হুমকি দিয়ে বলেন,কিশোরগঞ্জের ৮০ ভাগ মানুষ নীলফামারীতে আসে তখন কিন্তু আমি দেখে নিবো।
এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এন আর এম এন্টারপ্রাইজের মালিক ঠিকাদার মশগুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি উচ্চস্বরে বলেন, কপি চাষী বুঝবে আর আমি বুঝবো আপনাকে এ বিষয়ে কে কথা বলতে বলছে।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমি ঠিকাদারের সাথে কথা বলে ওই চাষীর ক্ষতিপুরনের চেষ্টা করবো।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন,বিষয়টি আমি দেখতেছি,কি করা যায়।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি,
নীলফামারী,মঙ্গলবার ১১ নভেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















