ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক মোবাইল, অর্থ উদ্ধার, ভিকটিম উদ্ধার ও সাইবার বুলিং শিকার ভিকটিমদের সহায়তা প্রদান।
ঝিনাইদহ জেলায় অনলাইনে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ দমনের জন্য সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল, ঝিনাইদহ গঠন করা হয়। বর্তমান প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যোগাযোগ সহজ হলে এর অপব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি, কিশোর-কিশোরী, নারীরা সাইবার বুলিং এর শিকার হচ্ছে। ঝিনাইদহ সাইবার সেল গঠন হওয়ায় পর থেকে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়মিত সাইবার পেট্রোলিং করে থাকে। তারা কু-লেস মার্ডার, ডাকাতি। দস্যুতা, বিকাশ প্রতারণা, অনলাইন জুয়া, সাইবার বুলিং, হারানো মোবাইল উদ্ধার, ভিকটিম উদ্ধার ও সংশ্লিষ্ট থানাকে প্রযুক্তিগত সহায়তা সহ বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে কাজ করছে।
সাফল্য সমূহ (সেপ্টেম্বর/অক্টোবর)ঃ
ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে হারিয়ে যাওয়া ১২১টি মোবাইল ফোন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এর মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৯৩.২২০/- টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিককে প্রদান করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সাইবার অপরাধ প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। এসব অপরাধের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন নিশ্চিত করতে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম টিম নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম টিম চলতি সময়ে সাইবার বুলিং এর শিকার ৫৯ জন ভিকটিমকে যথাযথ সহায়তা প্রদান করেছে। ভিকটিমদের মধ্যে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী, গৃহিণী ও চাকরিজীবী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নারী ও পুরুষ রয়েছে।
ঝিনাইদহ জেলার বিভিন্ন থানায় জিডি/অভিযোগ/মামলার ০৬ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
অদ্য ০২/১১/২০২৫ খ্রিঃ এ পুলিশ সুপার সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার, জনাব মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ-বিপিএম সেবা এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জনাব মোঃ ইমরান জাকারিয়া উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এর মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া টাকা প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর করেন।
এসময় পুলিশ সুপার বলেন “সাইবার নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্দ অংশ; সাইবার অপরাধ দমনে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে। অচেনা লিংকে প্রবেশ করবেন না, কোনো পরিস্থিতিতেই OTP, পাসওয়ার্ড বা ব্যাংক তথ্য শেয়ার করবেন না। যেকোনো সাইবার অপরাধ বা প্রতারণার স্বীকার হলে তাৎক্ষণিক সাইবার ইউনিট অথবা নিকটস্থ থানার স্বরনাপন্ন হওয়ার জন্য বলা হলো।”
পাপন চৌধুরী ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ,রোববার ০২ নভেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















