যাত্রাবাড়ীতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ আব্দুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলার আসামী নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম ও যুবলীগ নেতা রাশেদুজ্জামান মিল্টন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। পুলিশ দেখেও না দেখার মত নীরব ভুমিকা পালন করছে। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী জেলার বেগমবাজার উপজেলার নবোত্তমপুর গ্রামের আলা উদ্দিনের ছেলে যুবদল কর্মী আব্দুল কাইয়ুম আহাদ (১৬) বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালিন কোটা বিরোধী অন্দোলনের পক্ষে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র ও বিএনপিসহ যাত্রাবাড়ী এলাকায় অংশগ্রন করে। এ সময় একদফার আন্দোলন তুঙ্গে উঠলে স্বৈরাচার সরকার প্রধান শেখ হাসিনা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে পুলিশের সাথে একত্রিত করে মিছিলের উপর মহুমহু সাউন্ড গ্রেনেট, কাঁদানে গ্যাস ও গুলি বর্ষন করতে থাকে। এতে গত বছরের ১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৬ টার দিকে কাইয়ুমের মুখ ও বুকে গুলি লাগলে কাজলা থানাধীন পুলিশ বক্সের সামনে সে মাটিতে লুটে পড়ে। পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে। ওই সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলে ছিলেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের পাটোয়ারীপাড়া গ্রামের রহিমুদ্দিনের ছেলে আওয়ামী ক্যাডার রশিদুল ইসলাম ও একই গ্রামের যুবলীগ ক্যাডার রাশেদুজ্জামান ওরফে মিল্টন। এই ঘটনায় কাইয়ুমের পিতা আলা উদ্দিন ৪৬৮ জন নামীয় আসামী ও অজ্ঞাত এক হাজার েেথকে দুই হাজার আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২৫। এ মামলার এজারভুক্ত ১০৯ আসামি রশিদুল ইসলাম ও ৩১৩ নম্বর আসামী রাশেদুজ্জামান মিল্টন। আসামীদ্বয় বীর দর্পে ঘুরে বেড়ালেও তাদের এখনো অজ্ঞাত কারনে গ্রেফতার করা হয়নি।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী আলাউদ্দিন সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আসামী গ্রেফতারের জন্য পুলিশের সাথে সব সময় যোগাযোগ করা হচ্ছে। যাত্রাবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত)রমজানুল হকের সাথে কথা বললে তিনি জানান মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তে তাদের জড়িত থাকার বিষয় পাওয়া গেলে তখন গ্রেফতার করা হবে।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি,
নীলফামারী,সোমবার ১৩ অক্টোবর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















