কোনো কারখানার মাত্র ২০ জন শ্রমিকের সম্মতি নিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হলে তা শ্রম খাতকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।
কর্মক্ষেত্রে বিরোধ ও বিভাজন বাড়তে পারে। অন্যায্য চর্চা এবং সুযোগ সন্ধানী কার্যকলাপ উৎসাহিত হতে পারে। এটা শেষ পর্যন্ত দেশ-বিদেশি বিনয় বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হবে এবং রপ্তানি সক্ষমতা কমবে।
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের (বিইএফ) পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক নেটওয়ার্কিং সভায় এমন মত দিয়েছেন ফেডারেশনের নেতারা।
রাজধানীর গুলশানের পুলিশ প্লাজায় এমসিসিআইর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিইএফ নেতারা মনে করেন, শ্রমিকদের সংঘটিত হওয়ার অধিকার অবশ্যই সংরক্ষিত থাকতে হবে। একই সঙ্গে শিল্প কারখানার স্বাভাবিক উৎপাদন পরিবেশ এবং শিল্পের স্থিতিশীলতাস্থিতিশীলতার সমানভাবে জরুরী। ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনে শ্রমিকের অনুপাত হার নিয়ে সরকারের কাছে বিকল্প একটি প্রস্তাব দেবে বলে জানান তারা।
বিইএফের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, সব কারখানার শ্রমিকের সংখ্যা সমান নয়। কোনো কোনো কারখানায় ৭৫ হাজার শ্রমিক আছে। সেখানে যদি ২০ জন মিলে ট্রেড ইউনিয়ন কারখানার সব শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয় না।
শামীম এহসান বলেন, আবার মাত্র ১০০ দিনের সম্মতি দিন নিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন করা যাবে। শ্রম আইন সংশোধনের এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে শিল্প কাকে নানা পর্যায়ে বিপর্যয়ের আশঙ্কা আছে।
বিইএফের সভাপতি বলেন,অতীতে এমন অস্থিতিশীলতার কারণে কম্বোডিয়ায় বিনিয়োগ কমেছিল। ভিয়েতনাম সেই সুযোগ কাজের লাগিয়েছে।
বিকেএমইএর সভাপতি হাতেম বলেন, কার স্বার্থে এমন পরিবর্তন আনা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়। প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ভিয়েতনাম এবং ভারতে এ ধরনের চাপ নেই। অথচ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি জোর করে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
ভিয়েতনামে মাত্র একটি রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত ট্রেড ইউনিয়ন রয়েছে।
এমসিসিআইর সভাপতি কামরান টি রহমান বলেন, বিদ্যমান শ্রম আইন আনুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ। অথচ শ্রম বাজারের সাড়ে ৬ কোটি মানুষের মধ্যে এক কোটি হতে ১ কোটি ২০ লাখ আনুষ্ঠানিক খাতে কাজ করেন।
এই সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর শ্রম বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান এ এন এম সাইফুদ্দিন ও বিইএফের প্রধান নির্বাহী ফারুক আহমেদ প্রমুখ।
মাসুদ হাছান মোল্লা রিদম,বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকা,,সোমবার ০১ সেপ্টেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















