নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় জন্মদাতা মায়ের সহযোগিতায় সৎ বাবার ধর্ষণের শিকার ১২ বছরের কিশোরী। এ ঘটনায় শুক্রবার (২৯ আগষ্ট) রাতে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাতে পুলিশ পাষন্ড সৎবাবা ও মাকে গ্রেফতার করেছেন।
এলাকাবাসী ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নিতাই গাংবের গ্রামের আসাদুল মিস্ত্রির ছেলে রশিদুল ইসলামের (৪০) দ্বিতীয় স্ত্রী আঁখি আকতার ওরফে নাসরিন (২৮) ভিকটিমের জন্মদাতা মা। তার সহযোগিতায় ১০ মাস ধরে দিনের পর দিন নানা ভয়ভীতি দেখিযে পাষান্ড সৎ বাবা জোড়পূবক ধর্ষন করে আসছিল। অব্যাহত ধর্ষণের ফলে ৫ মাস পূর্বে ধর্ষণের শিকার কিশোরী অকাল গর্ভধারন করে। কিশোরীর গর্ভধারন কথা জানতে পেরে মা ও সৎবাবা তাকে জোর করে গর্ভপাতের ওষুধ খাইয়ে দেয়। এর ফলে কিশোরীর প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়। এসময় ১৫ দিন গুরুত্বর অসুস্থায় ভোগে ভূক্তভোগী। গোপনে তাকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ্য করে তোলে ধর্ষক বাবা। সুস্থ্য হলে কিশোরীকে আবারো তার মায়ের সহযোগিতার জোরপূর্বক ধর্ষণ করেতে থাকেন সৎ বাবা রশিদুল ইসলাম। গত ২৮ আগষ্ট বোন-জামাইযের ব্র্যাক অফিস সংলগ্ন ভাড়া বাসায় বেড়াতে আসে ভুক্তভোগী কিশোরীর মামা-মামী সোহাগ ও ফারহানা ইয়াসমিন।এসময় নাসরিন নানা কাজের তাগাদা দেখিয়ে শ্বশুরবাড়ী নিতাই গাংবের যান। মামা-মামী ভাগিনীর কাছে লোমহর্ষক এসব ঘটনা শুনে তাদের বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে ওই দিন রাতে বোন জামাইকে আসামী করে থানায় একটি ধর্ষণ মামালা দায়ের করেন। কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা নম্বর ৩৭। থানা পুলিশ ওই রাতেই আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করে।
কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম ঘটনার বিষয় স্বীকার করে বলেন, আসামীদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে । আইনি প্রক্রিয়া শেষে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
শাহজাহান সিরাজ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)ঃ-
কিশোরগঞ্জ, শনিবার ৩০ আগস্ট এইচডি নিউজ 24.com




















