নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার রনচন্ডী ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের উদ্যোক্তা ছেলে মশিউর রহমান স্বপ্নের হাঁসের খামার দখল করে নিয়েছে ওই গ্রামের কয়েকজন
লাঠিয়াল বাহিনী। ফলে ১২ লাখ টাকা হারিয়ে পথে বসেছে খামারী। থানায় অভিযোগ দিয়েও পায়নি কোন প্রতিকার ।
জানা গেছে, গত ২০২৪ সালে শুরুর দিকে উদ্যোক্তা মশিউর রহমান প্রতিবেশি সামসুল হকের পুত্র মারফুল ইসলাম ও মিটু মিযার কাছে ৬৫ শতাংশ জমি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে ১০ বছর মেয়াদি চুক্তি করে বন্ধক নেয় খামারী মশিয়ার রহমান।ওই বন্ধকি জমিতে ১২ লক্ষ টাকা ব্যয় করে চারদিকে উচুঁ বাধ নির্মান করে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে হাঁস ও মাছের খামাড় গড়ে তুলে। ১ বছরের খামারীর উন্নতি দেখে চরম হিংসায় মনে আগুন ধরে ভ্রাতৃদ্বয়ের মাঝে।চলতি বছর ২ জুন লাঠি ,ছোড়া ,রড় নিযে ভাড়া করা একদল লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে খামার থেকে তাড়িয়ে দেয় খামারীকে।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে কযেকজন এলকাবাসী জানান, মশিয়ার আনেক টাকা ব্যয় করে খামার গড়ে তুলেছে। খামারে ভালো লাভ দেখে হিংসায় লাঠির জোড়ে তারা খামার দখল করে নিয়েছে। এ বিষয়ে আমরা কিছু বলতে গেলে আমাদেরকে হুমকি দেয় তারা।
খামারী মশিয়ার রহমান বলেন, তিল তিল করে জামানো টাকা দিয়ে জমি বন্ধক নিয়ে খামার গড়ে তুলে ছিলাম। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দিল না সন্ত্রাসীরা। জীবনের ভয়ে সব ছেড়ে পালিয়ে এসেছি। আমি এখন নিঃস্ব , ভিখারির মত হয়ে পথে বসেছি। থানায় অভিযোগ দিয়েও কোন ফল পাইনি। তারা আমার ছোট ভাই সেনাবাহিনীতে চাকরি করার সুবাদে বাহিরে থাকেন তাকেও বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি ও তার বাড়িতে এসে সব সময় হুমকি দিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসীরা।
এখন আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় আছি।
জমি বন্ধকদাতা মিঠু মিয়া ও মারফুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তারা বরেন, মশিয়ার মিয়ার কাছে ১০ বছরের চুক্তি করেছিলাম । চুক্তিতে উল্লেখ করাছিল প্রতিবছর আমাদের দুইভাইকে ৩৮ হাজার টাকা পরিশোধ করিবে। কিন্তু মশিয়ার চুক্তি টাকা না দেয়ায় আমরা তাকে তাড়িয়ে দিয়েছি।
কিশোরগঞ্জ থানা অভিযোগ তদন্তকারী অফিসার এসআই গোপাল চন্দ্রর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি দ্বিতীয় পক্ষকে থানায় ডেকেছিলাম , মশিয়ার থানায় আসলেও তারা থানায় আসেনি।
শাহজাহান সিরাজ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)সংবাদদাতা ঃ-
নীলফামারী,রোববার ১৭ আগষ্ট এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















