ইসরায়েলি হামলায় আরও অন্তত ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হাসপাতাল সূত্র এমনটি জানিয়েছে।
আল জাজিরার মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে শুধু গাজা সিটিতেই নিহত হয়েছেন ৬১ জন। উত্তরাঞ্চলে হামলা তীব্রতর হয়েছে।
বুধবার গাজা নগরীর উত্তরে ত্রাণ বিতরণে সহায়তাকারী কয়েকটি দলের ওপর ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।
নাসের হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাফাহর উত্তরে ত্রাণকেন্দ্রে খাবারের জন্য অপেক্ষমাণদের ওপর গুলি চালিয়ে অন্তত ১৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে।
গাজার জরুরি ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা সংস্থার হিসাবে, উত্তরাঞ্চলে ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় আরও ১৪ জন নিহত ও ১১৩ জন আহত হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহার ও অপুষ্টিজনিত কারণে অন্তত আট জন, যাদের মধ্যে ৩ শিশু রয়েছে, প্রাণ হারিয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ক্ষুধাজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩৫ জনে, যার মধ্যে ১০৬ জন শিশু।জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) প্রধান ফিলিপ লাজারিনি জানান, বোমাবর্ষণ ও বিমান হামলায় ৪০ হাজারেরও বেশি শিশু নিহত বা আহত হয়েছে, অন্তত ১৭ হাজার শিশু পরিবারহীন বা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে এবং ১০ লাখ শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ও গভীরভাবে ট্রমাগ্রস্ত।
মৃত্যুর সংখ্যা ও অবরোধের প্রভাব ক্রমেই বাড়তে থাকায় বুধবার হামাসের একটি প্রতিনিধি দল সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য মিসরে পৌঁছায়।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক,বৃহস্পতিবার ১৪ আগষ্ট এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















