বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চীনের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে প্রতিবেশীদের সাথে সুসম্পর্ক রাখার।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা আলোচনা করেছি। আমাদের যে প্রয়োজন সেটা ব্যাখ্যা করেছি। তারা (চীন) এটাতে ইতিবাচকভাবে সায় দিয়েছেন।এটার উপর তারা কাজ করছেন।আমরা ভবিষ্যতে কখনো সরকার পরিচালনার দায়িত্ব এলে সেটা ইতিবাচকভাবে দেখব।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, পাঁচ দিনব্যাপী এ সফরে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি এবং চীন সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে মতবিনিময়ে করেছেন তারা। প্রতিটি বৈঠকে চীনা নেতারা বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার অবদান সসস্মানে ব্যক্ত করেছেন।
এই সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, পলিসি ব্রো ব্যুরোর সদস্য সি-লি-হং-সং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তিন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। পাশাপাশি দ্রুতই একটি নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরুর ব্যাপারে চীনের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির এই নেতা বলেন, বিগত ১৭ বছরের অনাকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে সহনীয় করতে আমরা ঋণ পরিশোধ সময়সীমা বৃদ্ধি, বিভিন্ন ফ্রি পুনর্বিবেচনা এবং অনুদানের সম্ভবতার বিষয়েও তাদের সহায়তা চেয়েছি। যেটা তারা সহানুভূতির সাথে বিবেচনার আশায় দিয়েছেন।
এই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, সার্বিকভাবে এই সফরের মাধ্যমে আমরা দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো উন্নতর ও ঘনিষ্ঠতার করার সুযোগ পেয়েছি। এই সম্পর্ক আগামীতে আরো প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাবাদী।
উল্লেখ্য,চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে গত ২২ জুন ৯ সদস্যের উৎক্ষেপ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে চীন সফরে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ২৭ জুন দেশে ফেরে প্রতিনিধি দলটি।
এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সেলিম রহমান প্রমুখ।
মাসুদ হাছান মোল্লা রিদম,বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকা,সোমবার ৩০ জুন এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















