অভিযোগে জানা যায়, নরসিংদী সদর উপজেলার শেখেরচর (বাবুর হাট) বাজারের খতিয়ান নং- ৩৭৬১, আর এস দাগ নং ১৬০৮ দাগের জমির পরিমাণ ১.৯৪ শতাংশ জায়গা’টি নরসিংদী উপজেলার মেহের পাড়া ইউনিয়নের ভগীরথপুর গ্রামের শাহীন ভূঁইয়া ও শুভ গংরা ভোগদখলের পায়তারা করছে। এব্যাপারে দোকানের মালিক কোহিনুর বেগমের স্বামী শহিদুল্লাহ বাহার নরসিংদী মডেল থানার অন্তরগত শেখেরচর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বিবাদী শাহিন হোসেন ভূঁইয়া গত ২০০৮ সালে ১৪৫৭১/০৮ নং রেজিস্ট্রিকৃত পাওয়ার অফ এটর্নি দলিল করে বাদী মোঃ শহিদুল্লাহ বাহারকে রেজিষ্ট্রি করে দখল বুজাইয়া দেয়া হয়। পরবর্তীতে শহিদুল্লা বাহার ২০১৯ সালে প্রায় ১২ বছর পর মো: রেজুয়ান মিয়ার নিকট রেজিস্ট্রিকৃত ১৭৫৯৬/১৯ নং সাফ কবলা দলিল মূলে বিক্রয় করে দখল বুজাইয়া দেয়। রেজুয়ান মিয়া জিবিকার প্রয়োজনে বিদেশে অবস্থান করার কারণে ২০২২ সালে রেজিষ্ট্রিকৃত ৩৪৮৫/২২ নং দলিল মূলে পাওয়ার অফ এটর্নি মূলে মোসা: কুহিনুর আক্তারকে রেজিষ্ট্রি করে দখল বুজাইয়া দেয়। এরপর মোসা: কুহিনুর আক্তার ৩০০ টাকা মূল্য মানের নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প এর মাধ্যমে চুক্তিনামা দলিল মূলে ৪ জন ভাড়াটিয়াদের ১৪৩০ বাংলা ১৪৩১ বাংলা ও ১৪৩২ বাংলা ভাড়া দিয়া ভোগদখল করে আসতেছে।
বিবাদী শাহিন হোসেন ভূঁইয়া অসত্য উক্তিতে নরসিংদীর জেলা জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধজ্ঞার আবেদন করে মামলা করেন, আদালত উভয় পক্ষের শুনানী শেষে ১১-০৯-২০২২ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালত বিবাদী শাহিন হোসেন ভূঁইয়ার আবেদন বাতিল করে দেন। বিবাদী শাহিন হোসেন ভূঁইয়া অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট আদালতে আরেকটি মামলা করেন, যাহা শুনানী শেষে ১১-১২-২০২৩ ইং তারিখে খারিজ করে দেন। এই রায়ে সন্তুষ্ট না হয়ে আরো একটি নরসিংদী জেলা জজ আদালতে মিস আপিল করেন। এরপর মাননীয় জেলা জজ আদালত উভয় পক্ষের শুনানী শেষে গত ০৭-১১-২০২৩ ইং তারিখে আদেশ প্রদান করেন যে, বর্তমান দখল বজায় রেখে সাব জজ ১ এর মামলা চূড়ান্ত নিষপত্তি না হওয়া পর্যন্ত সর্ব প্রকার স্থিতী অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন উভয় পক্ষকে।
২৩-০৪-২০২৪ইং তারিখে অতর্কিত ভাবে বিবাদী শাহীন ভূঁইয়া ও শুভ গং এবং অজ্ঞাত ২০/২৫ জন সন্ত্রাসী নিয়া কোর্টের রায় অমান্য করে মোঃ শহিদুল্লাহ বাহার এর স্ত্রীর মালিকানাধীন ও দখলীয় দোকান ঘরে হামলা চালায় বলে, ২৯-০৫-২০২৪ইং তারিখে অপরাধ দমন (দ্রুত বিচার) আদালতে বিবাদীদের বিরুদ্ধে বাদী মোঃ শহিদুল্লাহ বাহার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত নরসিংদী মডেল থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। নরসিংদী মডেল থানা তদন্ত করে বিজ্ঞ আদালতে রিপোর্ট প্রদান করেন যে, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে, এবং ৪/৫ ধারার অপরাধ সংঘটিত হয়েছে ।
পরবর্তীতে আদালত আবেদন আমলে নিয়া বিবাদীদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন। বিবাদীরা আদালতে আত্ম সর্মপণ করে, জামিন পান। বিবাদীরা জামিনে মুক্ত হয়ে দখলীয় দোকান ঘরের সামনে এবং আসে পাশে প্রতি নিয়ত মহড়া দিয়া ভয় ভীতি প্রদশন এবং দোকানে সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ জোরপূর্বক নিয়ে ডিলিট করে অপকর্মের প্রমাণ নষ্ট করে ফেলা হয় বলে জানা গেছে। এতে করে বাদী ও তার পরিবার সবসময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বাদী মোঃ শহিদুল্লাহ বাহার ও তার স্ত্রীর জান মালের নিরাপত্তা ও দোকান-ঘর রক্ষার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য কামনা করছেন।
মোঃ নজরুলইসলাম,মাধবদী(নরসিংদী)প্রতিনিধি ঃ
নরসিংদী,মঙ্গলবার ০৮ এপ্রিল এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















