তের লাখ টাকা ঘুষের বিনিময়ে ল্যাব সহকারী ও সহকারি সুপার পদে নিয়োগ এবং ঘুষের টাকা ভাগ বাটোয়ারার তালিকা জনসমুক্ষে আসায় তোলপার শুরু হয়। এ ঘটনায় গত ২১ জানুয়ারী এইচবি নিউজ ২৪.কমসহ প্রথম সারির কয়েকটি অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ হলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর হতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ জাকির হোসন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান- রংপুর বিভাগের সহকারী পরিদর্শক ইমন আমিরকে প্রধান করে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের মাগুড়া দোলাপাড়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে ল্যাব সহকারী ও সহকারি সুপার পদে নিয়োগ দেয়ার অভিযাগে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সম্প্রতি ওই মাদ্রাসার সহকারি সুপার ও ল্যাব সহকারী নিয়োগের জন্য অধ্যক্ষের সিল ও স্বাক্ষর সম্বলিত ১২ লাখ ৩৩ হাজার ৮শ টাকার ভাগ বাটায়ারার একটি তালিকা প্রকাশ্য আসায় তোলপার শুরু হয়।
অন্যদিকে এ ঘটনায় উপজলা প্রশাসনের তরফ হতেও একটি তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী হকের সাথে কথা হলে তিনি জানান- টাকার বিনিময়ে দুটি পদ নিয়োগের ভাগবাটায়ারার তালিকা প্রকাশ্য আসায় একটি তদন্ত কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)সংবাদদাতাঃ
কিশোরগঞ্জ,সোমবার ০৩ ফেব্রুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















