পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বিভাজনের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে-মির্জা ফখরুল

পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বিভাজনের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বুধবার (২৭ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘স্বৈরাচারের পতন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাষ্ট্র গঠনে চিকিৎসক সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু কিছু মানুষ নিজেকে অত্যন্ত জনপ্রিয় মনে করেন। সবচেয়ে দেশপ্রেমিক মনে করেন। আর গোটা জাতিকে আজকে তারা বিভাজনের দিকে ঠেলে দিয়ে, উসকে দিয়ে একটা অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। আপনারা গভীরভাবে চিন্তা করবেন, আমি কারো নাম বলবো না, বলতে চাইও না। ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করবেন যারা আমাদের বিভেদের দিকে নিয়ে অনৈক্য করতে চাচ্ছেন তারা আমাদের শত্রু না মিত্র?

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকে এই ২৪ এ আমাকে ভোটের অধিকারের জন্য চিৎকার করতে হচ্ছে। কোন জাতি আমরা! এই কথাগুলো কী কখনো আপনারা জিজ্ঞেস করেন? এবারতো একটা সুযোগ এসেছিল সবাই মিলে একযোগে দেশের একটা পরিবর্তন নিয়ে আসার। ছেলেরাও ছিল সামনে, আমরাও ছিলাম। সবাই মিলে আমরা পরিবর্তনের কাজটা করতে পারি। তিনটা মাস হয়নি এখনো এরমধ্যেই আমাদের আসল চেহারা বের হয়ে এসেছে। এরকম চেহারা নিয়ে কোনোদিনই সাফল্য অর্জন করা যায় না।

তিনি বলেন, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিবারই বাংলাদেশের কিছু তরুণ, যুবক প্রাণ দিচ্ছেন। তার স্বাধীনতা. গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য। ৫ আগস্টের বিজয় রক্ত ও প্রাণের মধ্য দিয়ে, রক্ত রঞ্জিত রাজপথ দিয়ে। একবার ভাবুন কিভাবে একটা মানুষ নিস্বার্থভাবে দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারে। আমরা এটি বারবার এমনটি দেখি, মাতৃকার টানে প্রাণ দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক দেশে পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এখনো স্বৈরাচার পতনে তিন মাস শেষ হয়নি। কি অদ্ভুত! একের পর এক মাঠে নামছে বিভেদ নিয়ে, সবাই পত্রিকা অফিসে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে, আমরা কি এমন দেশ চেয়েছিলাম, কেন এত বিভাজন, কেন এত হিংস্রতা? আর কতবার বাংলাদেশকে ওপরে তোলার চেষ্টা করবো?

দেশে দুই-তিন দিনের ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি ভয়াবহভাবে উদ্বিগ্ন। ধর্ম নিয়ে কি উন্মাদনা তৈরি হয়েছে দেশে। তিন মাসের মধ্যে আমাদের আসল চেহারা বের হতে শুরু হয়েছে। পত্রিকার অফিসে আগুন দেওয়া হচ্ছে, আমরা কি বাংলাদেশ চেয়েছিলাম। জানি আপনারাও আমাকে অনেকজন অনেক কিছু বলেন স্পষ্ট কথা আমি লিবারেল ডেমোক্রেসি পক্ষের লোক, আমার দলও তাই। আপনার ভিন্ন মত একজনের সাথে থাকতে পারে তাই বলে কি তাকে কথা বলতে দেবেন না?

পত্রিকা অফিসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ বছর ধরে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছি। আপনার সাথে আমার মতের অমিল থাকতে পারে, তবে আপনার কথা বলার স্বাধীনতার জন্য আমার জীবন দিয়ে হলেও লড়বো।

তিনি বলেন, এক ফ্যাসিস্ট আমাদের গলা চেপে ধরেছিল, এখন আপনারা একে নিশ্চিহ্ন করতে চান ওকে ধরতে চান। তাহলে সাধারণ মানুষ কোনো দিকে যাবে? তাদের বিভ্রান্তের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন কেন? এভাবে একটি সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় না।

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিভাজনের কাছে কেউ মাথা নোয়াবেন না। আসুন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করবো। ঢাকা,বুধবার ২৭ নভেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ সংবাদ



» ভেনেজুয়েলার উত্তর উপকূলের কাছে আবারও ভূমিকম্প

» মালয়েশিয়া এবং চীন সফরে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় সংসদে ধন্যবাদ

» রাজধানীর কাঁটাবনে আল বারাকা টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডে দুজনের মৃত্যু

» গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না-স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে বনানীতে টাস্কফোর্সের অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

» মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

» মাদক ব্যবসায়ী ও সেবকদের সামাজিক ভাবে বয়কটের আহবান জানালেন এমপি আব্দুল মুনতাকিম

» ঢাকার ঐতিহাসিক হোসেনী দালান থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল বের করা হয়েছে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলাকেটে হত্যা

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

আজ : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, খ্রিষ্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বিভাজনের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে-মির্জা ফখরুল

পরিকল্পিতভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বিভাজনের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বুধবার (২৭ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত ‘স্বৈরাচারের পতন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাষ্ট্র গঠনে চিকিৎসক সমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু কিছু মানুষ নিজেকে অত্যন্ত জনপ্রিয় মনে করেন। সবচেয়ে দেশপ্রেমিক মনে করেন। আর গোটা জাতিকে আজকে তারা বিভাজনের দিকে ঠেলে দিয়ে, উসকে দিয়ে একটা অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। আপনারা গভীরভাবে চিন্তা করবেন, আমি কারো নাম বলবো না, বলতে চাইও না। ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করবেন যারা আমাদের বিভেদের দিকে নিয়ে অনৈক্য করতে চাচ্ছেন তারা আমাদের শত্রু না মিত্র?

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আজকে এই ২৪ এ আমাকে ভোটের অধিকারের জন্য চিৎকার করতে হচ্ছে। কোন জাতি আমরা! এই কথাগুলো কী কখনো আপনারা জিজ্ঞেস করেন? এবারতো একটা সুযোগ এসেছিল সবাই মিলে একযোগে দেশের একটা পরিবর্তন নিয়ে আসার। ছেলেরাও ছিল সামনে, আমরাও ছিলাম। সবাই মিলে আমরা পরিবর্তনের কাজটা করতে পারি। তিনটা মাস হয়নি এখনো এরমধ্যেই আমাদের আসল চেহারা বের হয়ে এসেছে। এরকম চেহারা নিয়ে কোনোদিনই সাফল্য অর্জন করা যায় না।

তিনি বলেন, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিবারই বাংলাদেশের কিছু তরুণ, যুবক প্রাণ দিচ্ছেন। তার স্বাধীনতা. গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে পাওয়ার জন্য। ৫ আগস্টের বিজয় রক্ত ও প্রাণের মধ্য দিয়ে, রক্ত রঞ্জিত রাজপথ দিয়ে। একবার ভাবুন কিভাবে একটা মানুষ নিস্বার্থভাবে দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারে। আমরা এটি বারবার এমনটি দেখি, মাতৃকার টানে প্রাণ দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক দেশে পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, এখনো স্বৈরাচার পতনে তিন মাস শেষ হয়নি। কি অদ্ভুত! একের পর এক মাঠে নামছে বিভেদ নিয়ে, সবাই পত্রিকা অফিসে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে, আমরা কি এমন দেশ চেয়েছিলাম, কেন এত বিভাজন, কেন এত হিংস্রতা? আর কতবার বাংলাদেশকে ওপরে তোলার চেষ্টা করবো?

দেশে দুই-তিন দিনের ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমি ভয়াবহভাবে উদ্বিগ্ন। ধর্ম নিয়ে কি উন্মাদনা তৈরি হয়েছে দেশে। তিন মাসের মধ্যে আমাদের আসল চেহারা বের হতে শুরু হয়েছে। পত্রিকার অফিসে আগুন দেওয়া হচ্ছে, আমরা কি বাংলাদেশ চেয়েছিলাম। জানি আপনারাও আমাকে অনেকজন অনেক কিছু বলেন স্পষ্ট কথা আমি লিবারেল ডেমোক্রেসি পক্ষের লোক, আমার দলও তাই। আপনার ভিন্ন মত একজনের সাথে থাকতে পারে তাই বলে কি তাকে কথা বলতে দেবেন না?

পত্রিকা অফিসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৫ বছর ধরে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করছি। আপনার সাথে আমার মতের অমিল থাকতে পারে, তবে আপনার কথা বলার স্বাধীনতার জন্য আমার জীবন দিয়ে হলেও লড়বো।

তিনি বলেন, এক ফ্যাসিস্ট আমাদের গলা চেপে ধরেছিল, এখন আপনারা একে নিশ্চিহ্ন করতে চান ওকে ধরতে চান। তাহলে সাধারণ মানুষ কোনো দিকে যাবে? তাদের বিভ্রান্তের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন কেন? এভাবে একটি সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় না।

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, বিভাজনের কাছে কেউ মাথা নোয়াবেন না। আসুন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার করার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই করবো। ঢাকা,বুধবার ২৭ নভেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ সংবাদ



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা প্রগতি স্বরণী বাড্ডা ঢাকা-১২১২|

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com

Ads Blocker Image Powered by Code Help Pro

Ads Blocker Detected!!!

We have detected that you are using extensions to block ads. Please support us by disabling these ads blocker.

Powered By
100% Free SEO Tools - Tool Kits PRO