কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্স (সিন্দুক) ৬ মাস পর আজ আবারও খোলা হয়েছে। বাক্সগুলো থেকে পাওয়া টাকা ৪৩টি বস্তায় ভরা হয়।পরে মসজিদের দোতলায় টাকা গণনা করে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা পাওয়া গেছে। মসজিদের লোহার ১০টি দান সিন্ধুক ও অতিরিক্ত ৩টি টিনের ট্রাঙ্কসহ মোট ১৩টি দানবাক্স থেকে ৪৩ বস্তা টাকা নতুন রেকর্ড গড়েছে।পাগলা মসজিদের দানের টাকা দিনভর গণনা শেষে আগের ও আজকের দানের টাকার সংখ্যার যোগফল ১৩০ কোটির ছুঁয়েছে। এ ছাড়া স্বর্ণ ও রুপাসহ বিপুল বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া গেছে।
অনলাইনে দানের টাকার পরিমাণ এখন পর্যন্ত ২৭ লাখ ৬১ হাজার ৪১ টাকা জমা পড়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) রাত ৮টায় কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিনের পক্ষে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ।
সন্ধ্যার পর গণনা শেষে দানের টাকার এ হিসাব পাওয়া যায়। এর আগে সকালে পাগলা মসজিদের ১৩টি দান সিন্দুক খোলা হয়। এরপর শুরু হয় দিনব্যাপী টাকা গণনার কর্মযজ্ঞ এবং সন্ধ্যার পর টাকা গণনার কাজ শেষ হয়।
টাকা গণনার কাজে পাগলা মসজিদ ও মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, পার্শ্ববর্তী আরেকটি মাদরাসা আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষক, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মসজিদ কমিটির সদস্য ও বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ৬০০ জনের একটি দল গণনার কাজে অংশ নেন। এ ছাড়া সার্বিক তদারকি ও নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
কিশোরগঞ্জ,শনিবার ২৭ জুন এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম




















