নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না জমির উপরিভাগ ‘টপ সয়েলথ বিক্রি মহোৎসব। পরিবেশ আইন অমান্য করে ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালীরা। আবার মাটি ব্যবসায়ীরা কম দামে জমির উর্বর এই মাটি কিনে বিক্রি করছে বেশি দামে। ফলে কৃষি জমির উর্বরতা হারানোর পাশাপাশি হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশের ভারসাম্য। ভেঙ্গে যাচ্ছে এলাকার রাস্তা-ঘাট।
অভিযোগ রয়েছে, একদল অসাধু ব্যবসায়ী কৃষকদেরকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে এসব মাটি কিনে পাচার করছে ক্যানেল সংস্কার কাজে এবং ঘরের ভিট তৈরিসহ বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে। যদিও প্রশাসন বলছে, জমির উপরিভাগের মাটি কাটা অবৈধ। যারা অবৈধভাবে মাটি কাটবে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চলমান থাকবে।
জানা যায়, উপজেলার চাঁদখানা চন্ডির বাজার সদর ইউপির পাম্পের মোড় গাড়াগ্রাম দোলা পুষনা দোলাসহ ৫/৭ টি স্পটে অবাধে চলছে কৃষি জমি থেকে মাটি বিক্রি। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জমিতে লেগে আছে ট্রাক-ট্রাক্টরের দীর্ঘ লাইন। ফসলি এসব জমি থেকে এক্সেভেটরের মাধ্যমে মাটি কেটে সেগুলো পরিবহন করা হচ্ছে ট্রাক্টরের মাধ্যমে। আর এসব মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে বসতভিটা, শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও ক্যানেল সংস্কারে। মাটি ব্যবসায়ীরা প্রতি ট্রাক্টর মাটি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করে সেগুলো বিক্রি করে দিচ্ছে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকায়। আর এতে করে অধিক মুনাফা আদায় করে নিচ্ছে চক্রটি।
কৃষি অফিসের দেয়া তথ্যমতে, জমির উপরিভাগের ছয় থেকে দশ ইঞ্চিতে জৈব পদার্থ বিদ্যমান থাকে। উপরিভাগ কাটার ফলে জমির ফসল উৎপাদনের ক্ষমতা হ্রাস পায়। তাই সেগুলো কাটা অথবা বিক্রি করা যাবে না। তবুও অসাধু চক্রের ফাঁদে পড়ে সামান্য কিছু টাকার জন্য জমির উপরিভাগের মাটি কাটার অনুমতি দিচ্ছেন অন অভিঞ কৃষকরা।
কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিষয়ে জানালে কৃর্ষি- বলছে টপ সয়েল কাটা বন্ধ করা আমাদের কাজ না । অথচ ট্রাকটরের মাধ্যমে কৃষি জমির মাটি পাচার করা হচ্ছে জেলার বিভিন্ন স্থানে। এমতাবস্থায় পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে এবং এলাকার রাস্তা ঘাট রক্ষায় প্রশাসনের আরও কঠোর নজরদারি কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তনিমা জাহান তন্নি জানান আমি অসু¯হ ইউ এন ও সার আসুক তারপর ব্যাব¯হা নেয়া হবে
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি,
নীলফামারী,বৃহস্পতিবার ১১ ডিসেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















