নির্বাচনের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেল এ ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, মধুখালী, আলফাডাঙ্গা) আসনের দুই মনোনয়নপ্রার্থী দলের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। এক পক্ষের নেতৃত্বে রয়েছেন ফরিদপুর-১ আসনের সাবেক বিএনপি সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম। অন্য পক্ষের নেতৃত্ব দেন বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকেলে উভয় পক্ষই বোয়ালমারী বাজারে পৃথকভাবে কর্মসূচি আহ্বান করে। দুপক্ষের লোকজন বোয়ালমারী বাজারে জড়ো হতে থাকলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খন্দকার নাসিরুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন পক্ষের শতাধিক লোক লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে বোয়ালমারী বাজারের ওয়াপদা এলাকায় শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু সমর্থিত বিএনপি অফিসে হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। পাশাপাশি আশপাশের অন্তত আট থেকে ১০টি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে এবং অন্তত আট থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বোয়ালমারীসহ ফরিদপুরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ ধ্বংসযজ্ঞ চলে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও বিক্ষুব্ধদের মুখে পড়ে ফিরে যান। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান।
ফরিদপুর,শুক্রবার ০৭ নভেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















