বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ ভাষা আন্দোলনের জীবন দিয়েছে। স্বায়ত্তশাসন, গণঅভ্যুত্থান,৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০ এর ছাত্র আন্দোলন এবং এই ২৪ এর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন আন্দোলনে অনেক জীবন দিয়েছে। এত জীবন দেয়ার পর এখনো অসঙ্গতি নিয়ে আলোচনা হয়,এটা কেমন হবে?
শনিবার (৫ জুলাই ২০২৫) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ কতটুকু সুরক্ষা দেয় শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন। এই সেমিনার আয়োজন করেছে নাগরিক ঐক্য।
এই সেমিনারে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আর কত জীবন গেলে এ দেশের মানুষ। আর কত লড়াই করবে এদেশের মানুষ। মানুষ প্রাইমারি স্কুল থেকে হাইস্কুল উঠে। হাই স্কুল থেকে কলেজে যায়। কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় যায়। আচ্ছা আছে মানুষ উন্নত হয়। আস্তে আস্তে মানুষের পরিবর্তন হয়, ইতিবাচক পরিবর্তন। আর আমরা বারবার যেন সাপ-লুড়ুর মত অনেক দূরে এগিয়ে যাই। আবার সাপে কেটে নিচে চলে আসি। আবার আগানোর চেষ্টা করি, এটা গ্রহণযোগ্য নয়।
এই সেমিনারে বিএনপির এই সিনিয়র নেতা বলেন,আমাদের দেশের নারী, শিশু, যুবক শ্রমিক সবার জন্য আইন আছে। কিন্তু তারা কি আইনের বিষয়ে কিছু জানেন, বোঝেন বা সুফল ভোগ করতে পারেন? প্রত্যেক রাজধানীর দলের যারা প্রতিনিধিত্ব করেন তাদের উচিত সবাইকে আইন বুঝে দেওয়া। আইনের সুফল বোঝনো। আর যদি তা না করা হয় সাধারণ মানুষ সেই তিমিরেই থেকে যাবে।
এই সেমিনারে বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের দেশের শ্রম আইনে আছে। প্রত্যেক শ্রমিককে নিয়োগ পত্র দিতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে যত শ্রমিক আছে তার ২০-২৫ শতাংশও নিয়োগপত্র পায় না। তাদের গ্রাচুলিটি,সুবিধা কোনটাই দেয়া হয় না। যাহা শ্রম আইনে লেখা আছে। যারা শ্রমিককে কম মজুরি দেয় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তি বা অভিযোগ দেওয়ার কোন মেকানিজম নেই।
মাসুদ হাছান মোল্লা রিদম,বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকা,শনিবার ০৫ জুলাই এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















