বাংলাদেশের ওপর আরোপকৃত শুল্ক নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
শনিবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির বলেন, আমাদের ওপর আরোপিত শুল্ক এবং আমাদের যে বাণিজ্যের ধরন ও গঠন তার ওপর ভিত্তি করে প্রধান উপদেষ্টা নিজেই যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে সংযুক্ত হবেন এই বিষয়ে আমাদের অবস্থান তুলে ধরার জন্য।
ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমান বলেন, এটা আমাদের জন্য আকস্মিক কোনো বিষয় নয়, ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই প্রধান উপদেষ্টা আমাদের যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে সংযোগ করতে বলেছিলেন। সেই সূত্র আমি নিজে ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে ওয়াশিংটনে আমেরিকান পররাষ্ট্র দপ্তর, ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টিটিভ, ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার ও অন্যান্যদের সঙ্গে আলোচনা করেছি।
ড. খলিল আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে আমরা ক্রমাগত এই বিষয়ে আলোচনা করে আসছি। সুতরাং ব্যাপারটা আকস্মিক নয়, আমরা এর জন্য প্রস্তুত এবং আমরা শিগগিরই কিছু ব্যবস্থা নেব। সেটা মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ করেই নেব। সুতরাং এখানে ভয় পাওয়ার, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আমরা এই বিষয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ‘রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ নীতির আওতায় বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেশটি। এই ইস্যুতে করণীয় নির্ধারণে জরুরি বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে শীর্ষ বিশেষজ্ঞ, উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা যোগ দেন।




















