নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ভিসা প্রতারক চক্রের খপ্পরে পরে নিঃস্ব হচ্ছে সাধারন মানুষ। প্রতারক চক্রটির টার্গেট বিদেশ গমনচ্ছুকদের। পশ্চিমা দেশগুলোর ভিসা দেয়ার কথা বলে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এমনি প্রতারনার শিকার ফরহাদ সরকার ৭০ লক্ষ ২২ হাজার টাকা খুয়ে এখন পাগল প্রায়। খুয়ে যাওয়া টাকা উদ্ধারের জন্য তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার সাত কাহনিয়া গ্রামের মরহুম ফরিদ আলী সরকারের ছেলে ফরহাদ সরকারের ৮ মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ ইমু ও হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয় হয়।
কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই কাচারি পাড়া গ্রামের আরাফাত হোসেন ওরফে লাভলু মিয়া (২৫), ফারদিন খান ওরফে শাহিন মিয়া (২০) ও মাইন উদ্দিন শেখ ওরফে সুজন মিয়া (২৬) সাথে । এদের তিন প্রতারকের বস হচ্ছে আরাফাত হোসেন লাভলু। অপর দুই প্রতারক ফরহাদকে বলে লাভলুর মামা কানাডায় বসবাস করেন তার মাধ্যমে তারা দুইজন কানাডায় এসেছেন।
তারা কানাডার যে কম্পানিতে কাজ করে সেখানে ২০০ জন কর্মি লাগবে।
ফরহাদ তাদের কথা বিশ্বাস করে তিনি সহ আরো ৭ জনের ৭০ লাখ ২২ হাজার টাকা বিভিন্ন সময় বিকাশের মাধ্যমে প্রদান করে। প্রতারকরা ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট দেয়। ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার পর ফরহাদ সহ তার সঙ্গীরা প্রতারকদের কথামত ভিসা নেয়ার জন্য গত ২৪ সালের ১১ নভেম্বর ঢাকার গুলশান-২ এ যায় তারা। অপেক্ষার প্রহর শেষে প্রতারকদের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের ফোন নম্বর ইমু ও হোয়াটস অ্যাপ নম্বর বন্ধ পাওয়া যায। ফরহাদ অভিযোগ করে বলেন, প্রতারকদের খপ্পরে পরে আমি এখন নিঃস্ব। আমার বন্ধু ও সঙ্গীদেরও টাকা আমাকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। উপায়ন্তর না পেয়ে পুলিশের আশ্রয় নিয়েছি।
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ,কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)সংবাদদাতাঃ
কিশোরগঞ্জ,রোববার ০৯ ফেব্রুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















