লক্ষ্মীপুরে গ্রীণ লীফ ফিলিং স্টেশনের গ্যাস রিফিলের সময় বাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় চালক মো. রুবেল ও যাত্রী আবুল কালাম নিহত হয়েছেন। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে সদর মডেল পুলিশ সুপার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এদিকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) রাজীব কুমার সরকার ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) আকতার হোসেন। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন ও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন ডিসি।বুধবার (১১ ডিসেম্বর) ভোর ৪টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের ইসলাম মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রুবেল জেলার রামগতি উপজেলার চর বাদাম ইউনিয়নের জমিদার হাট এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই বাসের মালিক এবং চালক।
আর আবুল কালাম পৌর শহরের সাহাপুর এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে। তিনি একজন রং মিস্ত্রি।
আহতরা হলেন- ওই ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী (নজেল ম্যান) আবুল হোসেন ও লক্ষ্মীপুরের শাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা নাইম।
তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। তাদের সদর হাসপাতলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এর আগে দুই মাস আগেও একই ফিলিং স্টেশনে গ্যাস রিফিল করতে আসা আরেকটি বাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তিনজনের মৃত্যু হয়। একাধিকবার এমন দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা।
তাদের অভিযোগ, বাসের সিলিন্ডারগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, ভোর ৪টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগতি রুটে চলাচলকারী ‘আল মদিনা পরিবহন’ নামের একটি বাস গ্যাস নিতে গ্রিন লিফ ফিলিং স্টেশনে আসে। ফিলিং স্টেশন থেকে বাসের সিলেন্ডারে গ্যাস দেওয়ার সময় বিকট শব্দে হঠাৎ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই আবুল কালামের মৃত্যু হয়। এসময় আহত হন অন্তত তিনজন। তাদের মধ্যে থেকে আহত রুবেলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালীর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তার মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছেন স্বজনরা। নিহত আবুল কালামের মৃতদেহ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমরা তদন্ত করছি, এতে যদি কারও ক্রুটি পাওয়া যায়, আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ নেব।
লক্ষ্মীপুর,বুধবার ১১ ডিসেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















