গ্রামীন অর্থনীতি ও গ্রামীন কৃষকদের স্বাবলম্বি করার লক্ষ্যে সরকার কৃষি বিভাগের মাধ্যমে একের পর এক প্রকল্প হাতে নিয়ে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। প্রকল্পের মাধ্যমে চিনা চাষ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহন করেছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে কৃষককূল স্বাবলম্বি হওয়ার পাশাপাশি গ্রামীন অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। তা ছাড়া সর্বত্র চিনা চাষ বৃদ্ধি পাবে।
জানা যায় জামালপুর সদর উপজেলা কৃষি সমর্ৃৃদ্ধ এলাকা। এ উপজেলার বিভিন্ন চরঞ্চলে এক সময় ব্যপক আকারে চিনা চাষ হতো। এ চিনা চাষ কে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ কৃষক সমন্বয় প্রকল্প গ্রহন করেছে। এ ব্যপারে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: এমদাদুল হক কে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ প্রতিবেদক কে বলেন, চিনা চাষ কে সর্মৃদ্ধ করার জন্য লক্ষীরচর, রায়েরচর, টেবিরচর, তুলশীরচর, কাজিয়ারচর সহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকায় চিনা চাষের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কৃষক পর্যায়ে ব্যপক সাড়া পড়েছে। সরেজমিনে এ এলাকা গুলো ঘুরে কথা হয় বেশ কয়েকজন কৃষকে সাথে এর মধ্যে লক্ষীরচরের কৃষক জয়নাল(৪০) টেবিরচরের কৃষক আয়নাল(৪৮) জানান, চিনা চাষের জন্য কৃষি বিভাগ সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে চিনা চাষের উদ্যোগ নিয়েছি। আশা করছি চিনা চাষ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে।
চিনা চাষের প্রকল্প কৃষি বিভাগ মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ ও সরিষাবাড়ী উপজেলায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কৃষক পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরেজমিনে মহাদান ভাটারা, মেষ্টা, বালিজুড়ি,ডাংধরা, পাররামপুর,হাতিবান্দা, সহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে জানা গেছে এ সব এলাকায় এক সময় ব্যপক আকারে চিনা চাষ হতো। এখন সে ভাবে চিনা চাষ হয়না।
মহাদান গ্রামের সাত্তার(৫০) ডাংধরা গ্রামের আবুল (৩৮) জানান, কৃষি বিভাগের সার্বিক সহায়তার জন্যেই আবার চিনা চাষ শুরু হচ্ছে। এ ব্যপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে কথা বললে তারা এ প্রতিবেদক কে বলেন গ্রামীন অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য সরকার কৃষি বিভাগের মাধ্যমে কৃষক সমবায় সমন্বয়ের মাধ্যমে চাষবাদের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এ প্রকল্পে চিনা চাষ রয়েছে। চিনা চাষ বৃদ্ধি পাবে ও কৃষককুল স্বাবলম্বি হবে। ফলে গ্রামীন অর্থনীতি গতিশীল হয়ে পড়বে।
কাজী রফিকুল হাসান, মালগুদাম রোড, মুকন্দবাড়ী, জামালপুর প্রতিনিধি।
জামালপুর,বৃহস্পতিবার ২৯ আগষ্ট এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















