কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার মধ্যে গত ১৭ জুলাই রাতে মোবাইল ইন্টারনেট এবং ১৮ জুলাই রাতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়। এর পাঁচদিন পর ব্রডব্যান্ড ও ১০ দিন পর মোবাইল ইন্টারনেট চালু হলেও বন্ধ ছিল ফেসবুক, টিকটকসহ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
অবশেষে বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুর ২টার পর থেকে বাংলাদেশ থেকেও স্বাভাবিক নিয়মে ব্যবহার করা যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো। এমনটি জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানাতে গিয়ে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েকদিনে সহিংসতার ঘটনা সংক্রান্ত বিভিন্ন কনটেন্ট নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল সরকার। ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটক এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
পলক বলেন, টিকটকের প্রতিনিধি শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, আমরা সন্তুষ্ট হয়েছি। আনুমানিক সাড়ে সাত লাখের উপরে কনটেন্ট টেকডাউন করেছে টিকটক। আমাদের অনুরোধ তারা নিয়েছে। তাদের টেকডাউনের হার ৬০-৭০ শতাংশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম চালুর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে চাই, আমরা বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। এক-দুই ঘণ্টা হয়তো সময় লাগবে। আশা করছি বিকেলের মধ্যে চালু হয়ে যাবে। ভিপিএন ব্যবহার করায় অনেক ব্যান্ডউইথ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। এতে আর্থিক ক্ষতি এবং তথ্য চলে যাওয়ারও ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি বলেন, ফেসবুক-ইউটিউব ও টিকটককে বাংলাদেশে তাদের অফিস স্থাপনের অনুরোধ করেছি। আমরাও চাই এ দেশে তাদের বিনিয়োগ হোক। বাংলাদেশে অফিস ও ডেটা সেন্টার স্থাপন করলে আমরাও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারব।
পলক বলেন, আমরা হোয়াটস্যাপ ওপেন করে দিচ্ছি। সবগুলোই ওপেন করে দিচ্ছি। তাদের কমিউনিটি গাইডলাইন মেনে চালু হবে।
তথ্যপ্রযুক্তি ডেক্স,বুধবার ৩১ জুলাই এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম




















