কলাপাড়ায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতের চিহ্ন ।। উপকূলজুড়ে চলছে দুর্গত মানুষের আহাজারি

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তান্ডব থেমে গেলেও উপকূলজুড়ে চলছে দুর্গত মানুষের আহাজারি। আঘাতের চিহ্ন সাগর পাড়ের কলাপাড়ায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। লন্ডভন্ড
হয়ে গেছে গাছপালা। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ ও মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক। ডুবেছে শত শত পুকুর ও মাছের ঘের। বিধ্বস্ত হয়েছে অসংখ্য বসত বাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেরিবাধ। এখনো পানিবন্দি রয়েছে হাজার হাজার পরিবার। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কৃষি খাতে। অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে ও বিভিন্ন অশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে। এদিকে দুর্গত মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার সরবরাহ করছে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুয়াকাটার পাশে পশ্চিম খাজুরা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটির বাইরের অংশ এবং সাগরের মোহনার মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুর গ্রামসংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি জোয়ারের চাপে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের জালালপুর, খ্রিষ্টানপল্লি, পশ্চিম হাজীপুর, নবীপুর, ফতেহপুরসহ পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। একই ইউনিয়নের গৈয়াতলা ও
নিচকাটা জলকপাট এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উপর দিয়ে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে সাগরপাড়ের ধুলাসার ইউনিয়নের কাউয়ারচর ও চরগঙ্গামতি এলাকার বাঁধের বাইরের পাশের বাসিন্দারা। প্রায় এক হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি পানির তোড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। ভেসে গেছে ঘরের থালাবাসনসহ অন্য জিনিসপত্র। দুর্গত এলাকার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়ে গত দুই দিন নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। তবে গরু- ছাগল নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছে। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গরু-ছাগল বাঁধের ওপরে কিংবা উঁচু জায়গায় রাখা হয়েছে। প্রবল বর্ষণে গবাদিপশুর শোচনীয় অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে কী পরিমাণ গাছপালা উপড়ে পড়েছে, তা বন বিভাগ প্রাথমিকভাবে জানাতে পারেনি।
পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্র জানায়, রেমাল’র তান্ডবে অসংখ্য বৈদ্যুতিক খূঁটি ভেঙ্গে পড়েছে। গাছ পড়ে তার ছিড়ে গেছে। ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে। মিটার ও ইনসুলেটর ভেঙেছে এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ভেঙ্গে পড়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, কলাপাড়া জোনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো.শাহআলম বলেন, ঘূর্নিঝড় রেমাল’র তান্ডবে উপকূলের ৩০ টি স্পটে ১০ কি.মি. বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে গৈয়াতলা ও জালালপুর ৪৬ নম্বর পোল্ডার, ধূলাসার ও বালিয়াতলি ৪৭/৪ নম্বর পোল্ডার। পৌর শহরের বাসিন্দা কলেজ শিক্ষার্থী চয়ন ডাকুয়া বলেন, গাছ পরে সস্পূর্ন বিধ্বস্ত হয় তার বসত ঘর। তাই বাড়ির পাশে একটি কলেজে তার পরিবার নিয়ে অবস্থন করছেন। তার সাথে কথা হলে কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, তার বাবা গত তিন বছর হয় মারা গেছেন। এর পর ফুটপাতে একটি ছোট চায়ের দোকান দিয়েই সংসার চালায়। আবার এর মধ্য দিয়ে লেখাপাড়া খরচ চালাতে হয়। তাবে ঘূর্ণিঝড় তাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। এখন কিভাবে সে তার বসত ঘর নির্মাণ করবে এ নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় এই শিক্ষার্থী।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, ঘূর্নিঝড়ের প্রভাবে অস্বাভাবিক জ্বলোচ্ছাস ও অতিবর্ষনে উপজেলার ধূলাসার, লালুয়া, বালিয়াতলি, লতাচাপলি, ধানখালী, চম্পাপুর, মহিপুর ও নীলগঞ্জ ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬ শত ৯০টি পুকুর, যার আয়তন ৪১০.২৫ হেক্টর এবং ৭৭৮টি ঘের ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আরাফাত হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে উপজেলার বিশ হাজার হেক্টর আবাদী জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষকের করলা, ঝিঙ্গা, ঢেঁড়স, পুঁই শাক, গিমা কলমী শাক, চিচিঙ্গা, শসা, কলা ও আমের বাগান।
উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রান কর্মকর্তা মো.হুমায়ুন কবির বলেন, ’ঘূর্নিঝড় শেষে দুর্গত মানুষের সহায়তায় ১০০ মে.টন চাল ও নগদ দেড় লক্ষ টাকা হাতে পেয়েছি। এছাড়া আরও নগদ ৫ লক্ষ টাকা, গো-খাদ্যের জন্য ২ লক্ষ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ২ লক্ষ টাকা, আরও ২০০ মে.টন চাল ও ৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার
বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বদা দুর্গত মানুষের পাশে আছি।
দুর্যোগকালীণ সময়ে ও পরে দুর্গত মানুষকে শুকনো খাবার, ত্রান সুবিধা সহ রান্না করা খিচুড়ী প্যাকেট সরবরাহ করেছি। দুর্গত মানুষকে ত্রান দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র আগামী দুই এক দিনের মধ্যে কলাপাড়া পরিদর্শনে আসার কথা রয়েছে।
উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,মঙ্গলবার ২৮ মে এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ সংবাদ



» গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না-স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে বনানীতে টাস্কফোর্সের অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

» মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

» মাদক ব্যবসায়ী ও সেবকদের সামাজিক ভাবে বয়কটের আহবান জানালেন এমপি আব্দুল মুনতাকিম

» ঢাকার ঐতিহাসিক হোসেনী দালান থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল বের করা হয়েছে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলাকেটে হত্যা

» মাদক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল

» জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে- প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

আজ : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, খ্রিষ্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কলাপাড়ায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতের চিহ্ন ।। উপকূলজুড়ে চলছে দুর্গত মানুষের আহাজারি

ঘূর্ণিঝড় রিমালের তান্ডব থেমে গেলেও উপকূলজুড়ে চলছে দুর্গত মানুষের আহাজারি। আঘাতের চিহ্ন সাগর পাড়ের কলাপাড়ায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। লন্ডভন্ড
হয়ে গেছে গাছপালা। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ ও মুঠোফোনের নেটওয়ার্ক। ডুবেছে শত শত পুকুর ও মাছের ঘের। বিধ্বস্ত হয়েছে অসংখ্য বসত বাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেরিবাধ। এখনো পানিবন্দি রয়েছে হাজার হাজার পরিবার। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কৃষি খাতে। অনেক পরিবার এখনও খোলা আকাশের নিচে ও বিভিন্ন অশ্রয়কেন্দ্রে বসবাস করছে। এদিকে দুর্গত মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার সরবরাহ করছে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুয়াকাটার পাশে পশ্চিম খাজুরা এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটির বাইরের অংশ এবং সাগরের মোহনার মহিপুর ইউনিয়নের নিজামপুর গ্রামসংলগ্ন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি জোয়ারের চাপে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের জালালপুর, খ্রিষ্টানপল্লি, পশ্চিম হাজীপুর, নবীপুর, ফতেহপুরসহ পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। একই ইউনিয়নের গৈয়াতলা ও
নিচকাটা জলকপাট এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের উপর দিয়ে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে সাগরপাড়ের ধুলাসার ইউনিয়নের কাউয়ারচর ও চরগঙ্গামতি এলাকার বাঁধের বাইরের পাশের বাসিন্দারা। প্রায় এক হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি পানির তোড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। ভেসে গেছে ঘরের থালাবাসনসহ অন্য জিনিসপত্র। দুর্গত এলাকার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়ে গত দুই দিন নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। তবে গরু- ছাগল নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছে। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গরু-ছাগল বাঁধের ওপরে কিংবা উঁচু জায়গায় রাখা হয়েছে। প্রবল বর্ষণে গবাদিপশুর শোচনীয় অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে কী পরিমাণ গাছপালা উপড়ে পড়েছে, তা বন বিভাগ প্রাথমিকভাবে জানাতে পারেনি।
পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় সূত্র জানায়, রেমাল’র তান্ডবে অসংখ্য বৈদ্যুতিক খূঁটি ভেঙ্গে পড়েছে। গাছ পড়ে তার ছিড়ে গেছে। ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে। মিটার ও ইনসুলেটর ভেঙেছে এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ভেঙ্গে পড়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, কলাপাড়া জোনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো.শাহআলম বলেন, ঘূর্নিঝড় রেমাল’র তান্ডবে উপকূলের ৩০ টি স্পটে ১০ কি.মি. বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে গৈয়াতলা ও জালালপুর ৪৬ নম্বর পোল্ডার, ধূলাসার ও বালিয়াতলি ৪৭/৪ নম্বর পোল্ডার। পৌর শহরের বাসিন্দা কলেজ শিক্ষার্থী চয়ন ডাকুয়া বলেন, গাছ পরে সস্পূর্ন বিধ্বস্ত হয় তার বসত ঘর। তাই বাড়ির পাশে একটি কলেজে তার পরিবার নিয়ে অবস্থন করছেন। তার সাথে কথা হলে কান্না জড়িত কন্ঠে জানান, তার বাবা গত তিন বছর হয় মারা গেছেন। এর পর ফুটপাতে একটি ছোট চায়ের দোকান দিয়েই সংসার চালায়। আবার এর মধ্য দিয়ে লেখাপাড়া খরচ চালাতে হয়। তাবে ঘূর্ণিঝড় তাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। এখন কিভাবে সে তার বসত ঘর নির্মাণ করবে এ নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় এই শিক্ষার্থী।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, ঘূর্নিঝড়ের প্রভাবে অস্বাভাবিক জ্বলোচ্ছাস ও অতিবর্ষনে উপজেলার ধূলাসার, লালুয়া, বালিয়াতলি, লতাচাপলি, ধানখালী, চম্পাপুর, মহিপুর ও নীলগঞ্জ ইউনিয়নে ৪ হাজার ৬ শত ৯০টি পুকুর, যার আয়তন ৪১০.২৫ হেক্টর এবং ৭৭৮টি ঘের ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.আরাফাত হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে উপজেলার বিশ হাজার হেক্টর আবাদী জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কৃষকের করলা, ঝিঙ্গা, ঢেঁড়স, পুঁই শাক, গিমা কলমী শাক, চিচিঙ্গা, শসা, কলা ও আমের বাগান।
উপজেলা দুর্যোগ ও ত্রান কর্মকর্তা মো.হুমায়ুন কবির বলেন, ’ঘূর্নিঝড় শেষে দুর্গত মানুষের সহায়তায় ১০০ মে.টন চাল ও নগদ দেড় লক্ষ টাকা হাতে পেয়েছি। এছাড়া আরও নগদ ৫ লক্ষ টাকা, গো-খাদ্যের জন্য ২ লক্ষ টাকা, শিশু খাদ্যের জন্য ২ লক্ষ টাকা, আরও ২০০ মে.টন চাল ও ৫০০ প্যাকেট শুকনো খাবার
বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বদা দুর্গত মানুষের পাশে আছি।
দুর্যোগকালীণ সময়ে ও পরে দুর্গত মানুষকে শুকনো খাবার, ত্রান সুবিধা সহ রান্না করা খিচুড়ী প্যাকেট সরবরাহ করেছি। দুর্গত মানুষকে ত্রান দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র আগামী দুই এক দিনের মধ্যে কলাপাড়া পরিদর্শনে আসার কথা রয়েছে।
উত্তম কুমার হাওলাদার,কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি
পটুয়াখালী,মঙ্গলবার ২৮ মে এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ সংবাদ



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা প্রগতি স্বরণী বাড্ডা ঢাকা-১২১২|

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com

Ads Blocker Image Powered by Code Help Pro

Ads Blocker Detected!!!

We have detected that you are using extensions to block ads. Please support us by disabling these ads blocker.

Powered By
Best Wordpress Adblock Detecting Plugin | CHP Adblock