মৃত্যুর ৩০ বছর পর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা এ আদেশ দেন।এর আগে গত ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ লাশ উত্তোলনের অনুমতি চেয়ে এ আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩০ বছর পর সালমান শাহ’র লাশ কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দেন একই আদালত। দীর্ঘ তিন দশক পর লাশ তোলার এ আদেশ নিয়ে নানারকম আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
এমতাবস্থায় এদিন সালমান শাহ’র মামা ও হত্যা মামলার বাদী আলমগীর কুমকুম আদালতের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন।
সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক লাশ উত্তোলনের আদেশটি বাতিল করেন।
বাদীর অভিযোগ, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাদীর বোন নিলুফা জামান চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরী ও বোন জামাতা মৃত কমর উদ্দিন আহমদ চৌধুরী তার ছোট ছেলে সালমান শাহ’র সঙ্গে দেখা করতে তার নিউ ইস্কাটন রোডস্থ বাসায় যান।
তখন তার স্ত্রী সামীরা হক এবং কর্মচারী আবুল জানান যে, সালমান শাহ ঘুমিয়ে আছেন। এসময় তারা তাদের গ্রিন রোডের বাসায় চলে যান। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তার বাসা থেকে টেলিফোন করে জানানো হয়, সালমান শাহর যেন কী হয়েছে, তাড়াতাড়ি আসেন। খবর পেয়ে তারা দ্রুত নিউ ইস্কাটন রোডস্থ ইস্কাটন প্লাজা ১১/বি ঠিকানার বাসায় গিয়ে দেখেন যে, সালমান শাহ তার শয়নকক্ষে খাটের উপরে মরার মতো পড়ে আছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তারা সালমান শাহকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিম সালমান শাহকে মৃত ঘোষণা করেন। অতঃপর মৃতদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সিলেটে হযরত শাহজালালের (র.) মাজার প্রাঙ্গণ কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ সংক্রান্তে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
ঢাকা,মঙ্গলবার ২৩ জুন এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম




















