ছাত্র ছাত্রী নেই স্কুলে তবুও সরকারি শিক্ষক আছেন তিন জন। সরকারি টাকা হচ্ছে তছরুপ।

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুর দৌলতপুর ইউনিয়নের চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন ও শিক্ষক থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে নেই কোনো শিক্ষার্থী।

বুধবার (১ এপ্রিল) তৃতীয় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে আসতে দেখা গেছে। চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির কক্ষ শূন্য। তবে হাজিরা খাতায় ১২ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখানো হয়েছে। ৩ জন শিক্ষকের স্থলে প্রধান শিক্ষকসহ দুইজন হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন।

তিনজন শিক্ষকের মধ্যে রুপালি নামের একজন সহকারী শিক্ষককে পার্শ্ববর্তী রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মৌখিকভাবে ডেপুটেশনে (প্রেষণে) দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের মাঠ গোচারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১৩ সাল থেকে বেতন পান শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ে গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। এছাড়া কাছাকাছি আরও তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতার কারণে শিক্ষার্থী সংকট বলে অভিভাবক ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।

অফিস-শ্রেণিকক্ষ অগোছালো ও অপরিষ্কার। শিক্ষার্থী না থাকায় নেই কোনো কোলাহল, স্কুলজুড়ে সুনসান নীরবতা। বিদ্যালয় সংলগ্নই প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বাড়ি।

এদিকে, স্কুলে তিনজন শিক্ষক দেখানো হয়েছে, ছয়জন শিক্ষকের পদ থাকলেও তিনজন শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। শিক্ষার্থী না থাকায় শূন্য পদের তিনজন শিক্ষকের পদ পূরণ হচ্ছে না।

সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রাক প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির এবং ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। শিক্ষার্থী না থাকায় দুইজন শিক্ষক খেয়ালখুশি মতো বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন। বিদ্যালয়ে খাতা-কলমে উপস্থিতি শতভাগ থাকলেও বাস্তবে উপস্থিতি শূন্য।

একাধিক এলাকাবাসী জানান, ব্যবস্থাপনা কমিটিতে আছেন সভাপতি ইউএনও। কমিটির কেউ কোন খোঁজ খবর নেয় না। এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগে স্থানীয় লোক সভাপতি হতো তারা শিক্ষকদের বাড়ী বাড়ী পাঠাতো ছাত্র সংগ্রহের জন্য।
কাগজে-কলমে বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় ২০ জন শিক্ষার্থী দেখানো হয়েছে। প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১২ জন শিক্ষার্থীকে ওই বিদ্যালয়ে ভর্তি দেখানো হয়েছে। শিক্ষার্থী না থাকার কারণে বিদ্যালয়টি মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি আরও তিনটি বিদ্যালয় থাকায় এবং এলাকার শিক্ষার্থীরাই ভর্তি না হওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে আগ্রহ হারাচ্ছে।

এছাড়াও প্রতিবছর স্লিপের টাকার কোনো হিসেব নেই। বিদ্যালয়ের নাজুক অবস্থার জন্য প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হকের অবহেলাকেও দায়ী করেন এলাকাবাসী।

চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক বলেন, কাছাকাছি একটি এবং এক কিলোমিটারের মধ্যে আরও দুইটি বিদ্যালয় হওয়ায় শিক্ষার্থী কমে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারছি না। কিছু শিক্ষার্থী মাদ্রাসা ও উপজেলা সদরের কিন্ডারগার্টেনে লেখাপড়া করছে। এ কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার্থীর সংকট হয়েছে। স্লিপ ফান্ডের টাকা যথাযথভাবে ব্যয় করা হয়েছে বলে তিনি
জানান,

হরিণাকুন্ডু উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অপ্রতুল থাকায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতনরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহা. আমজাদ হোসেন বিদ্যালয়ের বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে বলেন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা একদমই কম। শিক্ষার্থী কম থাকায় নিকটবর্তী বিদ্যালয়ের সঙ্গে বিদ্যালয়টিকে একীভূত করতে গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।

পাপন চৌধুরী ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ,বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

সর্বশেষ সংবাদ



» গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না-স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে বনানীতে টাস্কফোর্সের অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

» মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

» মাদক ব্যবসায়ী ও সেবকদের সামাজিক ভাবে বয়কটের আহবান জানালেন এমপি আব্দুল মুনতাকিম

» ঢাকার ঐতিহাসিক হোসেনী দালান থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল বের করা হয়েছে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলাকেটে হত্যা

» মাদক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল

» জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে- প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

আজ : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, খ্রিষ্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাত্র ছাত্রী নেই স্কুলে তবুও সরকারি শিক্ষক আছেন তিন জন। সরকারি টাকা হচ্ছে তছরুপ।

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুর দৌলতপুর ইউনিয়নের চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভবন ও শিক্ষক থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে নেই কোনো শিক্ষার্থী।

বুধবার (১ এপ্রিল) তৃতীয় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে আসতে দেখা গেছে। চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির কক্ষ শূন্য। তবে হাজিরা খাতায় ১২ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি দেখানো হয়েছে। ৩ জন শিক্ষকের স্থলে প্রধান শিক্ষকসহ দুইজন হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন।

তিনজন শিক্ষকের মধ্যে রুপালি নামের একজন সহকারী শিক্ষককে পার্শ্ববর্তী রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মৌখিকভাবে ডেপুটেশনে (প্রেষণে) দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যালয়ের মাঠ গোচারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১৩ সাল থেকে বেতন পান শিক্ষকরা।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ে গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। এছাড়া কাছাকাছি আরও তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতার কারণে শিক্ষার্থী সংকট বলে অভিভাবক ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।

অফিস-শ্রেণিকক্ষ অগোছালো ও অপরিষ্কার। শিক্ষার্থী না থাকায় নেই কোনো কোলাহল, স্কুলজুড়ে সুনসান নীরবতা। বিদ্যালয় সংলগ্নই প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বাড়ি।

এদিকে, স্কুলে তিনজন শিক্ষক দেখানো হয়েছে, ছয়জন শিক্ষকের পদ থাকলেও তিনজন শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। শিক্ষার্থী না থাকায় শূন্য পদের তিনজন শিক্ষকের পদ পূরণ হচ্ছে না।

সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রাক প্রাথমিক, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির এবং ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। শিক্ষার্থী না থাকায় দুইজন শিক্ষক খেয়ালখুশি মতো বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করেন। বিদ্যালয়ে খাতা-কলমে উপস্থিতি শতভাগ থাকলেও বাস্তবে উপস্থিতি শূন্য।

একাধিক এলাকাবাসী জানান, ব্যবস্থাপনা কমিটিতে আছেন সভাপতি ইউএনও। কমিটির কেউ কোন খোঁজ খবর নেয় না। এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগে স্থানীয় লোক সভাপতি হতো তারা শিক্ষকদের বাড়ী বাড়ী পাঠাতো ছাত্র সংগ্রহের জন্য।
কাগজে-কলমে বিদ্যালয়ের ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় ২০ জন শিক্ষার্থী দেখানো হয়েছে। প্রাক প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১২ জন শিক্ষার্থীকে ওই বিদ্যালয়ে ভর্তি দেখানো হয়েছে। শিক্ষার্থী না থাকার কারণে বিদ্যালয়টি মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি আরও তিনটি বিদ্যালয় থাকায় এবং এলাকার শিক্ষার্থীরাই ভর্তি না হওয়ায় অন্য শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে আগ্রহ হারাচ্ছে।

এছাড়াও প্রতিবছর স্লিপের টাকার কোনো হিসেব নেই। বিদ্যালয়ের নাজুক অবস্থার জন্য প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হকের অবহেলাকেও দায়ী করেন এলাকাবাসী।

চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনজুরুল হক বলেন, কাছাকাছি একটি এবং এক কিলোমিটারের মধ্যে আরও দুইটি বিদ্যালয় হওয়ায় শিক্ষার্থী কমে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারছি না। কিছু শিক্ষার্থী মাদ্রাসা ও উপজেলা সদরের কিন্ডারগার্টেনে লেখাপড়া করছে। এ কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে শিক্ষার্থীর সংকট হয়েছে। স্লিপ ফান্ডের টাকা যথাযথভাবে ব্যয় করা হয়েছে বলে তিনি
জানান,

হরিণাকুন্ডু উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অপ্রতুল থাকায় বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ঊর্ধ্বতনরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহা. আমজাদ হোসেন বিদ্যালয়ের বেহাল অবস্থার কথা স্বীকার করে বলেন, হরিণাকুন্ডু উপজেলার চরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা একদমই কম। শিক্ষার্থী কম থাকায় নিকটবর্তী বিদ্যালয়ের সঙ্গে বিদ্যালয়টিকে একীভূত করতে গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।

পাপন চৌধুরী ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ,বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ সংবাদ



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা প্রগতি স্বরণী বাড্ডা ঢাকা-১২১২|

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com

Ads Blocker Image Powered by Code Help Pro

Ads Blocker Detected!!!

We have detected that you are using extensions to block ads. Please support us by disabling these ads blocker.

Powered By
Best Wordpress Adblock Detecting Plugin | CHP Adblock