ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফমারী-৪ আসনের কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৭৮ ভোট কেন্দ্রে আনসার ও ভিডিপি সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও ভোট
কেন্দ্রে তালিকাভূক্ত আনসার সদস্যেদের পরিবর্তে ভূয়া আনসার সদস্য দিয়ে দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে । এমন অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আনছার ভিডিবি কর্মকর্তা ফেরদৈৗসী বেগমের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ৭৮টি ভোট কেন্দ্রে অন্যান্য আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর পাশাপাশি ১ হাজার ১৪ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়। এসব আনসার সদস্য নিয়োগে নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা না করে প্রতিজন আনসার সদস্যের কাছ থেকে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা নিয়ে নিয়োগ নিয়োগ দেয়া হয়। ফলে আনসার ও ভিডিপি সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভূয়া আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন এমন অভিযোগ পেয়ে সন্ধ্যায় সাংবাদিকরা ১১৪ নং ভোট কেন্দ্রে ছুটে যান, সেখানে সিসি তালিকায় শফিকুল ইসলামের স্ত্রী আশা আক্তারের পরিবর্তে ভূয়া আনসার সদস্য সাহারা নামে এক ৬০ বছের এক বৃদ্ধ মহিলা দায়িত্ব পালন করছেন। আনসার সদস্য আরফিনা বেগম, গনেশ চন্দ্র ও আনোয়ারা বেগম অভিযোগ করে
বরেন, আনসার ভিডিপি অফিসার ফেরদৌসি বেগম প্রতিজন আনসার সদস্যের কাছ থেকে এক থেকে দেড় হাজার করে টাকা নিয়ে দায়িত্ব পালনে জন্য নাম তালিকার্ভূক্তি করেছেন। টাকা দিলে কোন প্রকার নিয়মকানুন অনুসরন করা হয় না। টাকা না দিলে বৈধ কাগজপত্র দিয়েও কাজ হয়না। অনেক কেন্দ্র ভূয়া আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন বলে তারা অভিযোগ করেন।
১১৪ নং কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিসাইডিং অফিসার অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলামকে ভূয়া আনসার সদস্যে দায়িত্ব পালনের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, সঠিক অনসার সদস্য যাচাই-বাচাই করার দায়িত্ব আমার না। এ বিষয়ে সহকারী রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
এ ব্যাপারে আনসার ও ভিডিপি অফিসার ফেরদৌসি বেগমের সাথে কথা বললে তিনি এসব অফিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী অনসার সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ভূয়া আনসার সদস্যের বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এটা অনাকাঙ্খিত।
মোঃ শাহজাহান সিরাজ কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী) উপজেলা প্রতিনিধি,
নীলফামারী,বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















