লবন মহালের ইজারা মূল্য বৃদ্ধি করা হবে না—ভূমি উপদেষ্টা

ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতে লবণ চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শ্রমঘন শিল্প। কক্সবাজার, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চট্টগ্রাম ও সাতক্ষীরার বিস্তীর্ণ এলাকায় হাজারো মানুষ এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। লবণ চাষে জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে লবন সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রতিটি ধাপেই মানুষের শ্রম অপরিহার্য। এই খাতে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে,যা গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবিকায় বড় ভূমিকা রাখে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উৎপাদন ব্যয়, শ্রমমূল্য ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির ফলে লবন মহালের ইজারা মূল্য বৃদ্ধি করা হবে না।
আজ ভূমি মন্ত্রণালেয়র সভাকক্ষে ‘জাতীয় লবন মহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি’র প্রথম সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। সভায় সঞ্চালনায় ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ।
ভূমি উপদেষ্টা বলেন, লবন মহালের ইজারা মূল্য বৃদ্ধি না করার ফলে উৎপাদন ধারাবাহিক রাখা, বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল্যস্থিতি বজায় রাখা সহজ হবে। লিজ প্রক্রিয়ায় জটিলতা, মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য এবং মাঠপর্যায়ে নজরদারির ঘাটতি থাকলে চাষিরা প্রত্যাশিত সুবিধা পান না। একই সাথে দেশে লবণের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে উৎপাদন এলাকা সম্প্রসারণ করতে হবে। ভাষানচরে বেশ অনেক পরিমান চর জেগেছে যেখানে লবনমহাল করা যেতে পারে। চট্টগ্রামের বাশঁখালি ও কক্সবাজারে আরো লবনমহাল করার মতো যথেষ্ট যায়গা রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, লবন আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি মৌসুমি শিল্প,নভেম্বর মাসে এর চাষাবাদ শুরু হয় এবং বর্ষায় এটির চাষ বন্ধ থাকে। জাতীয় স্বার্থে এই উপাদানের স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জন করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ব্যক্তিমালিকানাধীন লবণ মহাল ইজারা বা নবায়নের ক্ষেত্রে অযৌক্তিকভাবে সেলামি মূল্য বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা এই খাতের জন্য গভীর উদ্বেগজনক যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এক্ষেত্রে যৌক্তিক ইজারা মূল্য অনুসরণ না করা হলে ঐসব ভূমির উন্নয়ন কর বৃদ্ধি করা হবে।
উল্লেখ্য, সারা দেশে ৬৯ হাজার ১৯৮ একর জামিতে লবন চাষ করা হচ্ছে। একাজে ৪২ হাজার চাষী সরাসরি জরিত। ১২ টি লবন কেন্দ্র ও ২৩০ টি লবন মিল রয়েছে যেখানে লবন পরিশুদ্ধ করা হয়। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে খাতভিত্তিক লবনের চাহিদা ছিল ভোজ্য লবন ৮.৮৫ লাখ মেট্রিক টন, শিল্প খাতে ৮.৯২ লাখ মেট্রিক টন,মৎস্য খাতে ০.৩৯ লাখ মেট্রিক টন,প্রাণিসম্পদ খাতে ৩.৫০ লাখ মেট্রিক টন মোট পরিশোধিত লবনের চাহিদা ২১.৬৭ লাখ মেট্রিক টন, অপরিশোধীত লবনের চাহিদা ২৬.১০ লাখ মেট্রিক টন। একর প্রতি লবন উৎপাদন হয় ৩২.৫৪ মেট্রিক টন। কেজি প্রতি লবন উৎপাদন খরচ ৮.২৯টাকা ।
লবনের বার্ষিক চাহিদা,উৎপাদন,মুনাফা,পরিশোধীত ও অপরিশোধীত লবনের পরিমান ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে লবনের বার্ষিক চাহিদা ছিল, অপরিশোধীত ২৩.৮৮ লাখ মেট্রিক টন,পরিশোধীত ১৯.৮২ লাখ মেট্রিক টন।
অপরিশোধীত লবনের উৎপাদন হয়েছে ২২.৩৩ লাখ মেট্রিক টন,পরিশোধীত লবনের উৎপাদন হয়েছে ১৮.৫৩ লাখ মেট্রিক টন। ক্রুড লবনের উৎপাদন খরচ ছিল ১৫০৮.৫৬ কোটি টাকা, ক্রুড লবনের বিক্রয়মূল্য ২৫০০.৯৬ কোটি টাকা,বার্ষিক মুনাফা হয়েছে ৯৯২.৪০ কোটি টাকা। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে লবনের বার্ষিক চাহিদা ছিল,অপরিশোধীত ২৫.২৮ লাখ মেট্রিক টন,পরিশোধীত ২০.৯৮ লাখ মেট্রিক টন। অপরিশোধীত লবনের উৎপাদন হয়েছে ২৪.৩৮ লাখ মেট্রিক টন, পরিশোধীত লবনের উৎপাদন হয়েছে ২০.২৪ লাখ মেট্রিক টন। ক্রুড লবনের উৎপাদন খরচ ছিল ১৯৫৮.৩২ কোটি টাকা, ক্রুড লবনের বিক্রয়মূল্য ২৯২৫.৬০ কোটি টাকা,বার্ষিক মুনাফা হয়েছে ৯৬৭.২৮ কোটি টাকা। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে লবনের বার্ষিক চাহিদা, অপরিশোধীত ২৬.১০ লাখ মেট্রিক টন,পরিশোধীত ২১.৬৭ লাখ মেট্রিক টন। অপরিশোধীত লবনের উৎপাদন ২২.৫২ লাখ মেট্রিক টন, পরিশোধীত লবনের উৎপাদন ১৮.৬৯ লাখ মেট্রিক টন। ক্রুড লবনের উৎপাদন খরচ ১৮৬৭.৪৭ কোটি টাকা, ক্রুড লবনের বিক্রয়মূল্য ১৫৫৯.৫১ কোটি টাকা,বার্ষিক মুনাফা -৩০৭.৯৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২০৫৪ অর্থবছরে উৎপাদন খরচের তুলনায় কম মূল্যে চাষিরা লবন বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে।

সভায় বিসিক এর চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম,লবণ শিল্পের উন্নয়ন কার্যালয়, বিসিক এর (কক্সবাজার) উপ-মহাব্যবস্থাপক সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ এবং অনলাইনে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার,চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক সংযুক্ত ছিলেন।
ঢাকা,রোববার ০৪ জানুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

সর্বশেষ সংবাদ



» গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না-স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী

» ডেঙ্গু প্রতিরোধে বনানীতে টাস্কফোর্সের অভিযান, লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

» মালয়েশিয়া-চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

» মাদক ব্যবসায়ী ও সেবকদের সামাজিক ভাবে বয়কটের আহবান জানালেন এমপি আব্দুল মুনতাকিম

» ঢাকার ঐতিহাসিক হোসেনী দালান থেকে শিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিল বের করা হয়েছে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে

» লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একই পরিবারের তিনজনকে গলাকেটে হত্যা

» মাদক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

» স্কটল্যান্ডকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে ব্রাজিল

» জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে- প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

আজ : শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, খ্রিষ্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লবন মহালের ইজারা মূল্য বৃদ্ধি করা হবে না—ভূমি উপদেষ্টা

ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতে লবণ চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শ্রমঘন শিল্প। কক্সবাজার, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চট্টগ্রাম ও সাতক্ষীরার বিস্তীর্ণ এলাকায় হাজারো মানুষ এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। লবণ চাষে জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে লবন সংগ্রহ ও সংরক্ষণ প্রতিটি ধাপেই মানুষের শ্রম অপরিহার্য। এই খাতে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে,যা গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবিকায় বড় ভূমিকা রাখে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উৎপাদন ব্যয়, শ্রমমূল্য ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধির ফলে লবন মহালের ইজারা মূল্য বৃদ্ধি করা হবে না।
আজ ভূমি মন্ত্রণালেয়র সভাকক্ষে ‘জাতীয় লবন মহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি’র প্রথম সভায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। সভায় সঞ্চালনায় ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ।
ভূমি উপদেষ্টা বলেন, লবন মহালের ইজারা মূল্য বৃদ্ধি না করার ফলে উৎপাদন ধারাবাহিক রাখা, বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মূল্যস্থিতি বজায় রাখা সহজ হবে। লিজ প্রক্রিয়ায় জটিলতা, মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য এবং মাঠপর্যায়ে নজরদারির ঘাটতি থাকলে চাষিরা প্রত্যাশিত সুবিধা পান না। একই সাথে দেশে লবণের চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে উৎপাদন এলাকা সম্প্রসারণ করতে হবে। ভাষানচরে বেশ অনেক পরিমান চর জেগেছে যেখানে লবনমহাল করা যেতে পারে। চট্টগ্রামের বাশঁখালি ও কক্সবাজারে আরো লবনমহাল করার মতো যথেষ্ট যায়গা রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, লবন আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি মৌসুমি শিল্প,নভেম্বর মাসে এর চাষাবাদ শুরু হয় এবং বর্ষায় এটির চাষ বন্ধ থাকে। জাতীয় স্বার্থে এই উপাদানের স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জন করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। ব্যক্তিমালিকানাধীন লবণ মহাল ইজারা বা নবায়নের ক্ষেত্রে অযৌক্তিকভাবে সেলামি মূল্য বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা এই খাতের জন্য গভীর উদ্বেগজনক যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এক্ষেত্রে যৌক্তিক ইজারা মূল্য অনুসরণ না করা হলে ঐসব ভূমির উন্নয়ন কর বৃদ্ধি করা হবে।
উল্লেখ্য, সারা দেশে ৬৯ হাজার ১৯৮ একর জামিতে লবন চাষ করা হচ্ছে। একাজে ৪২ হাজার চাষী সরাসরি জরিত। ১২ টি লবন কেন্দ্র ও ২৩০ টি লবন মিল রয়েছে যেখানে লবন পরিশুদ্ধ করা হয়। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে খাতভিত্তিক লবনের চাহিদা ছিল ভোজ্য লবন ৮.৮৫ লাখ মেট্রিক টন, শিল্প খাতে ৮.৯২ লাখ মেট্রিক টন,মৎস্য খাতে ০.৩৯ লাখ মেট্রিক টন,প্রাণিসম্পদ খাতে ৩.৫০ লাখ মেট্রিক টন মোট পরিশোধিত লবনের চাহিদা ২১.৬৭ লাখ মেট্রিক টন, অপরিশোধীত লবনের চাহিদা ২৬.১০ লাখ মেট্রিক টন। একর প্রতি লবন উৎপাদন হয় ৩২.৫৪ মেট্রিক টন। কেজি প্রতি লবন উৎপাদন খরচ ৮.২৯টাকা ।
লবনের বার্ষিক চাহিদা,উৎপাদন,মুনাফা,পরিশোধীত ও অপরিশোধীত লবনের পরিমান ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে লবনের বার্ষিক চাহিদা ছিল, অপরিশোধীত ২৩.৮৮ লাখ মেট্রিক টন,পরিশোধীত ১৯.৮২ লাখ মেট্রিক টন।
অপরিশোধীত লবনের উৎপাদন হয়েছে ২২.৩৩ লাখ মেট্রিক টন,পরিশোধীত লবনের উৎপাদন হয়েছে ১৮.৫৩ লাখ মেট্রিক টন। ক্রুড লবনের উৎপাদন খরচ ছিল ১৫০৮.৫৬ কোটি টাকা, ক্রুড লবনের বিক্রয়মূল্য ২৫০০.৯৬ কোটি টাকা,বার্ষিক মুনাফা হয়েছে ৯৯২.৪০ কোটি টাকা। ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে লবনের বার্ষিক চাহিদা ছিল,অপরিশোধীত ২৫.২৮ লাখ মেট্রিক টন,পরিশোধীত ২০.৯৮ লাখ মেট্রিক টন। অপরিশোধীত লবনের উৎপাদন হয়েছে ২৪.৩৮ লাখ মেট্রিক টন, পরিশোধীত লবনের উৎপাদন হয়েছে ২০.২৪ লাখ মেট্রিক টন। ক্রুড লবনের উৎপাদন খরচ ছিল ১৯৫৮.৩২ কোটি টাকা, ক্রুড লবনের বিক্রয়মূল্য ২৯২৫.৬০ কোটি টাকা,বার্ষিক মুনাফা হয়েছে ৯৬৭.২৮ কোটি টাকা। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে লবনের বার্ষিক চাহিদা, অপরিশোধীত ২৬.১০ লাখ মেট্রিক টন,পরিশোধীত ২১.৬৭ লাখ মেট্রিক টন। অপরিশোধীত লবনের উৎপাদন ২২.৫২ লাখ মেট্রিক টন, পরিশোধীত লবনের উৎপাদন ১৮.৬৯ লাখ মেট্রিক টন। ক্রুড লবনের উৎপাদন খরচ ১৮৬৭.৪৭ কোটি টাকা, ক্রুড লবনের বিক্রয়মূল্য ১৫৫৯.৫১ কোটি টাকা,বার্ষিক মুনাফা -৩০৭.৯৭ কোটি টাকা। ২০২৪-২০৫৪ অর্থবছরে উৎপাদন খরচের তুলনায় কম মূল্যে চাষিরা লবন বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে।

সভায় বিসিক এর চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল ইসলাম,লবণ শিল্পের উন্নয়ন কার্যালয়, বিসিক এর (কক্সবাজার) উপ-মহাব্যবস্থাপক সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিগণ এবং অনলাইনে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার,চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক সংযুক্ত ছিলেন।
ঢাকা,রোববার ০৪ জানুয়ারি এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ সংবাদ



সর্বাধিক পঠিত



About Us | Privacy Policy | Terms & Conditions | Contact Us

(সম্পাদক)
কাজী আবু তাহের মোহাম্মদ নাছির
সহ সম্পাদক- কাজী আশিকুর রহমান আশিক

উপদেষ্টা-মো: মোরর্শেদুল ইসলাম (মুক্তি)
বার্তা সম্পাদক-খন্দকার সোহাগ হাছান
সহ বার্তা সম্পাদক-কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক-কাজী আতিকুর রহমান আতিক

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা প্রগতি স্বরণী বাড্ডা ঢাকা-১২১২|

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com

Ads Blocker Image Powered by Code Help Pro

Ads Blocker Detected!!!

We have detected that you are using extensions to block ads. Please support us by disabling these ads blocker.

Powered By
Best Wordpress Adblock Detecting Plugin | CHP Adblock