রাজধানীর ভাটারা,সবুজবাগে পৃথক ঘটনায় নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।এরা হলেন- ভাটারা থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আল-আমিন হোসেন রায়হান (৩২), সবুজবাগ থেকে উদ্ধার হওয়া গৃহিণী সিমি আক্তার (২০) ও গাড়িচালক ইপু (২৫)।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকালে এতথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ। সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে পৃথক জায়গা থেকে তিনটি লাশ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য লাশগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
ভাটারা থেকে উদ্ধার হওয়া আল-আমিনের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায়। ভাটারা এলাকার একটি বাড়ির ছাদে চিলেকোঠার রুমে থাকতেন তিনি।
ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ আসাদুজ্জামান প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, চিলেকোঠার রুমটিতে থাকতেন আল-আমিন। সোমবার রাতে রুমের দরজা বন্ধ দেখে বাড়ির দারোয়ান বিকল্প চাবি দিয়ে রুম খুলে ভেতরে ঢুকে দেখেন, জানালার গ্রিলের সঙ্গে রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে রয়েছেন তিনি। পরে থানায় খবর দিলে রাত পৌনে ১টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, সবুজবাগের আহমদবাগ এলাকার ৩৩/ডি নম্বর বাড়িটির ৩য় তলায় থাকেন গৃহিণী সিমি আক্তার। তার সুরতহাল প্রতিবেদনে সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আরিফুর রহমান উল্লেখ করেন, তার স্বামীর নাম মুরাদ হোসেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের কারণে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। খবর পেয়ে রাত ১টার দিকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, সবুজবাগের দক্ষিণগাঁও এলাকার ৬ নম্বর রোডের আবু সাইদের টিনশেড বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় গাড়িচালক ইপুর লাশ। তার সুরতহাল প্রতিবেদনে সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন, ইপুর গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার সদর উপজেলায়। তার বাবার নাম মো. রবিউল ইসলাম। দক্ষিণগাঁওয়ের বাড়িটিতে স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন তিনি। সোমবার রাতে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে স্ত্রী কুলসুমের সঙ্গে ঝগড়া হয় তার। একপর্যায়ে স্ত্রীকে মারধর করে বাসা থেকে বের করে দেন তিনি। এরপর নিজেই রুমের দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সঙ্গে শীতের চাদর পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। তার লাশ উদ্ধার করা হয় মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে।
ঢাকা,মঙ্গলবার ২৫ নভেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।




















