সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়: শেখ পরশ

আজ ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩খ্রিঃ, বিকাল ৩টায়, ওয়ার্ড নং-৩৩, থানা-গাছা, বটতলা এলাকায় গাজীপুর-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন- আওয়ামী লীগ ঘোষিত নির্বাচনী ইশতিহারে অত্যন্ত বাস্তবমুখী একটি পরিপক্ক ইশতেহার। এখানে কোন ভাওতাবাজির স্থান নেই। এক কথা বললাম কিন্তু করতে পারলাম না শুধু জনগণকে ঠুনকো আশা দিলাম এই রকম ইশতেহার বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেয় নাই বা কখনো দেয় না। ইশতেহারে যা ঘোষণা করা হয়েছে তার প্রত্যেকটিই আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব। গতবারের মতো ইশতেহারের প্রতিটি আশ্বাস আওয়ামী লীগ সরকার এবারও পূরণ করবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ইশতেহারের মাধ্যমে ঘটেছে। এটি একটি জনহিতকর ইশতেহার।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে দুটি কথা বলতে চাই। আমাদের দরকার একটা অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এই দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক। কোন বিশেষ দল নির্বাচনে আসলো বা না আসলো তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না, আমাদের বিবেচনার বিষয়ও না। কিন্তু আপনাদেরই নির্ধারণ করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আমরা কি কি করতে পারি। সকলেরই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার আছে। আমরা কাউকে বাধা দিবো না। আপনাদের সহনশীল হতে হবে এবং সকলকে ভোট কেন্দ্রে আসতে উৎসাহ দিতে হবে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন মানে অন্যের ভোট দেওয়ার পরিবেশ রক্ষা করা। বিশৃঙ্খলা এবং হট্টোগোল সম্পূর্ণরূপে পরিহার করতে হবে। নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়।

তিনি আরও বলেন-সবারই নির্বাচন করার অধিকার থাকলেও বিএনপির ব্যাপারে আমাদের কোন ছাড় নাই। যুদ্ধাপরাধীদের দোসরদের বাংলাদেশে নির্বাচন করার অধিকার নাই। যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বকেই বিশ্বাস করে না তাদের কি দরকার বাংলাদেশে নির্বাচন করা। তারা পাকিস্তানে গিয়ে নির্বাচন করুক। বিএনপির মতো দেশবিরোধী সংগঠনকে আমরা এদেশে নিষিদ্ধ করে পাকিস্তানে বিতাড়িত করতে চাই। বিএনপি নির্বাচনে আসে নাই তাদের নিজেদের কারণে। দুটি কারণ-প্রথমত তাদের নিজস্ব দুর্বলতা। দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব। নেতৃত্ব কে দিবে? দ্বিতীয়ত; তারা ভোটে যেতে সাহস পায় না। কারণ তারা যে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, মানুষকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে এখনও মারছে। একারণে তাদের নির্বাচনে আসার কোন আগ্রহ নাই এবং এদেশের জনগণ তাদেরকে বর্জন করেছে। তারা তা ভালই বুঝতে পারছে। গণমানুষের সম্পদ, গণপরিবহন পুড়িয়ে জনগণের সমর্থন পাওয়া যায় না। তাদের রাজনৈতিক কৌশল আমাদের মতো মানুষের বোধগম্য নয়। কারণ এটা শুধু তারেক জিয়ার মতো সন্ত্রাসী এবং দুর্বৃত্তের মাথা থেকেই এমন উদ্ভট ও নাশকতার মতো রাজনৈতিক কৌশল আসতে পারে। লন্ডন থেকে হুকুম দেয় আর এখানে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীরা গাড়িতে আগুন দিচ্ছে, মানুষকে পুড়িয়ে মারছে। আপনারা দেখেছেন কিভাবে ট্রেনে আগুন দিয়ে মা ও ছেলেকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মেরেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা।

অপর দিকে জনগণের ভোট এবং ভাতের অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম করে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আজকে নির্বাচনী সংস্কারও আওয়ামী লীগ করেছে। ভোটার আইডি হালনাগাদ করে ১ কোটি ভুয়া ভোটার বাদ দেওয়া, স্বচ্ছ ব্যালট বক্স, ইভিএম, ভোটার আইডি, এই সব কিছু আওয়ামী লীগের অবদান। এখন জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে কাকে তারা নির্বাচিত করবে। বাংলাদেশের মানুষ বুঝে তাদের ভাল-মন্দ এবং কাদেরকে ভোট দিলে তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। তিনি আরও বলেন-আওয়ামী লীগ কোনো অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী দল না। আওয়ামী লীগ এদেশের মাটি ও মানুষের সংগঠন। মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করেই এই সংগঠন গড়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগকে এভাবে অগ্নিসন্ত্রাসী আন্দোলনের মাধ্যমে কোনো দিনই উৎখাত করা সম্ভব না। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ: শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেই এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে ধরে রাখতে গাজীপুর-২ আসনের জনগণ ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে বলে বিশ্বাস করি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, মোঃ রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক জহির উদ্দিন খসরু, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম অনিক, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মোঃ কামরুল আহসান সরকার রাসেল, গাজীপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ সেলিম আজাদ, গাজীপুর মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ সুমন আহমেদ শান্ত বাবু, মোঃ আলমগীর হোসেনসহ কেন্দ্রীয় মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।
গাজীপুর,বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments Box

সর্বশেষ আপডেট



» উত্তর বাড্ডা জামতলা পানির পাম্প এলাকায় এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

» রাজধানীর বাড্ডা বটতলা এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক রডমিস্ত্রীর মৃত্যু

» কুয়াকাটার সৈকতে আবারও ভেসে এসেছে মৃত ডলফিন

» বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় কিছু সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি তৎপর

» কালিহাতীতে পাইলিংবাহী একটি লোবেটের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় চালক ও হেলপার নিহত

» ১০ তলা বঙ্গবাজার পাইকারি মার্কেটসহ চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী

» জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী আজ

» হজক্যাম্প পরিদর্শনে ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান

» রাজধানীর মগবাজার দিলু রোডে ফুটপাত থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার

» ঝিনাইদহে ডাকাতিকালে প্রবাসীর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা, পুত্রবধূকে ছুরিকাঘাত

 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

বার্তা সম্পাদক: খন্দকার সোহাগ হাছান

সহ বার্তা সম্পাদক: কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত নিউজপোর্টাল গভঃ রেজিঃ নং ১১৩

আজ শনিবার, ২৫ মে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়: শেখ পরশ




আজ ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩খ্রিঃ, বিকাল ৩টায়, ওয়ার্ড নং-৩৩, থানা-গাছা, বটতলা এলাকায় গাজীপুর-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন- আওয়ামী লীগ ঘোষিত নির্বাচনী ইশতিহারে অত্যন্ত বাস্তবমুখী একটি পরিপক্ক ইশতেহার। এখানে কোন ভাওতাবাজির স্থান নেই। এক কথা বললাম কিন্তু করতে পারলাম না শুধু জনগণকে ঠুনকো আশা দিলাম এই রকম ইশতেহার বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেয় নাই বা কখনো দেয় না। ইশতেহারে যা ঘোষণা করা হয়েছে তার প্রত্যেকটিই আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব। গতবারের মতো ইশতেহারের প্রতিটি আশ্বাস আওয়ামী লীগ সরকার এবারও পূরণ করবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ইশতেহারের মাধ্যমে ঘটেছে। এটি একটি জনহিতকর ইশতেহার।

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে দুটি কথা বলতে চাই। আমাদের দরকার একটা অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এই দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক। কোন বিশেষ দল নির্বাচনে আসলো বা না আসলো তাতে আমাদের কিছু আসে যায় না, আমাদের বিবেচনার বিষয়ও না। কিন্তু আপনাদেরই নির্ধারণ করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আমরা কি কি করতে পারি। সকলেরই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অধিকার আছে। আমরা কাউকে বাধা দিবো না। আপনাদের সহনশীল হতে হবে এবং সকলকে ভোট কেন্দ্রে আসতে উৎসাহ দিতে হবে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন মানে অন্যের ভোট দেওয়ার পরিবেশ রক্ষা করা। বিশৃঙ্খলা এবং হট্টোগোল সম্পূর্ণরূপে পরিহার করতে হবে। নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারলেই নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়।

তিনি আরও বলেন-সবারই নির্বাচন করার অধিকার থাকলেও বিএনপির ব্যাপারে আমাদের কোন ছাড় নাই। যুদ্ধাপরাধীদের দোসরদের বাংলাদেশে নির্বাচন করার অধিকার নাই। যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বকেই বিশ্বাস করে না তাদের কি দরকার বাংলাদেশে নির্বাচন করা। তারা পাকিস্তানে গিয়ে নির্বাচন করুক। বিএনপির মতো দেশবিরোধী সংগঠনকে আমরা এদেশে নিষিদ্ধ করে পাকিস্তানে বিতাড়িত করতে চাই। বিএনপি নির্বাচনে আসে নাই তাদের নিজেদের কারণে। দুটি কারণ-প্রথমত তাদের নিজস্ব দুর্বলতা। দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব। নেতৃত্ব কে দিবে? দ্বিতীয়ত; তারা ভোটে যেতে সাহস পায় না। কারণ তারা যে অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, মানুষকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে এখনও মারছে। একারণে তাদের নির্বাচনে আসার কোন আগ্রহ নাই এবং এদেশের জনগণ তাদেরকে বর্জন করেছে। তারা তা ভালই বুঝতে পারছে। গণমানুষের সম্পদ, গণপরিবহন পুড়িয়ে জনগণের সমর্থন পাওয়া যায় না। তাদের রাজনৈতিক কৌশল আমাদের মতো মানুষের বোধগম্য নয়। কারণ এটা শুধু তারেক জিয়ার মতো সন্ত্রাসী এবং দুর্বৃত্তের মাথা থেকেই এমন উদ্ভট ও নাশকতার মতো রাজনৈতিক কৌশল আসতে পারে। লন্ডন থেকে হুকুম দেয় আর এখানে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীরা গাড়িতে আগুন দিচ্ছে, মানুষকে পুড়িয়ে মারছে। আপনারা দেখেছেন কিভাবে ট্রেনে আগুন দিয়ে মা ও ছেলেকে নির্মমভাবে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মেরেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা।

অপর দিকে জনগণের ভোট এবং ভাতের অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম করে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আজকে নির্বাচনী সংস্কারও আওয়ামী লীগ করেছে। ভোটার আইডি হালনাগাদ করে ১ কোটি ভুয়া ভোটার বাদ দেওয়া, স্বচ্ছ ব্যালট বক্স, ইভিএম, ভোটার আইডি, এই সব কিছু আওয়ামী লীগের অবদান। এখন জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে কাকে তারা নির্বাচিত করবে। বাংলাদেশের মানুষ বুঝে তাদের ভাল-মন্দ এবং কাদেরকে ভোট দিলে তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়। তিনি আরও বলেন-আওয়ামী লীগ কোনো অবৈধ ক্ষমতা দখলকারী দল না। আওয়ামী লীগ এদেশের মাটি ও মানুষের সংগঠন। মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করেই এই সংগঠন গড়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগকে এভাবে অগ্নিসন্ত্রাসী আন্দোলনের মাধ্যমে কোনো দিনই উৎখাত করা সম্ভব না। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ: শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেই এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে ধরে রাখতে গাজীপুর-২ আসনের জনগণ ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে বলে বিশ্বাস করি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, মোঃ রফিকুল আলম জোয়ার্দার সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক জহির উদ্দিন খসরু, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম অনিক, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মোঃ কামরুল আহসান সরকার রাসেল, গাজীপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ সেলিম আজাদ, গাজীপুর মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ সুমন আহমেদ শান্ত বাবু, মোঃ আলমগীর হোসেনসহ কেন্দ্রীয় মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।
গাজীপুর,বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

Facebook Comments Box

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

প্রকাশক ও সম্পাদক: কাজী আবু তাহের মো. নাছির।

 

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক: আফতাব খন্দকার (রনি)

 

বার্তা সম্পাদক: খন্দকার সোহাগ হাছান

সহ বার্তা সম্পাদক: কামাল হোসেন খান
সহ বার্তা সম্পাদক: কাজী আতিকুর রহমান আতিক (আবির)

প্রধান কার্যালয়: গ-১০৩/২ মধ্যবাড্ডা প্রগতি স্বরণী বাড্ডা ঢাকা-১২১২ | ব্রাঞ্চ অফিস: ২৪৭ পশ্চিম মনিপুর, ২য় তলা, মিরপুর-২, ঢাকা -১২১৬।

Phone: +8801714043198, Email: hbnews24@gmail.com

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি । সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © HBnews24.com